ইপেপার / প্রিন্ট
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে ঘটেছে বহুল আলোচিত র্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যাকাণ্ড। ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অভিযান চলাকালে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হঠাৎ হামলা চালায়। ঘটনায় র্যাবের চার সদস্য গুরুতর আহত হন, এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডিএডি আব্দুল মোতালেব নিহত হন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড এলাকার মানুষ ও মিডিয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং ১৫০–২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। ধারাগুলি অন্তর্ভুক্ত: ৩০২, ৩৪, ৩৫, ৩৫৩, ৩৩৩, ৩৬৪, ৩৮৬, ৩৪২, ৩২৭/৩০৭, পেনাল কোড ১৮৬০।
এরপর র্যাব বিভিন্ন সময়ে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। এ পর্যন্ত মোট ২০ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে র্যাবের নিজস্ব অভিযান এবং পুলিশ সহযোগিতায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১৩ জন, বাকি ৭ জন পুলিশ দ্বারা গ্রেফতার।
গ্রেফতারকৃতরা বিভিন্ন এলাকায় থেকে ধরা পড়েছে—নবগ্রাম (নোয়াখালী), উদালিয়া (পাহাড়তলী), শেরশাহ, বাংলাবাজার, ফৌজদারহাট, দক্ষিণ কাট্টালী, ফরিদার পাড়া, বায়োজিত বোস্তামী, সুগন্ধা পয়েন্ট, খুলশী মোড়, বগুড়া নিবাস, সালেহা কটন মিল, বিশ্ব কলোনী, ইত্যাদি। গ্রেফতারদের বয়স ১৯ থেকে ৬২ বছর পর্যন্ত।
র্যাবের সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের কারাবন্দী করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযানের মাধ্যমে র্যাব চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও কক্সবাজারে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্ত্রাসীদের উপর নজরদারি ও বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট।
এভাবে র্যাব-৭ চট্টগ্রাম একটি জটিল ও বহুকেন্দ্রিক হত্যাকাণ্ডে দ্রুত এবং কার্যকরী অভিযানের মাধ্যমে অপরাধীদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে, যা এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।