1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
নওগাঁয় ভিজিএফের চাল চুরির মহোৎসব: গরিবের হক মারছেন মিরাট ইউপি প্রশাসক ও সদস্যরা! - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

নওগাঁয় ভিজিএফের চাল চুরির মহোৎসব: গরিবের হক মারছেন মিরাট ইউপি প্রশাসক ও সদস্যরা!

প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেওয়া ভিজিএফের চালে ভাগ বসানোর অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মিরাট ইউনিয়ন পরিষদ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। অসহায় ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ কেজি চালের পরিবর্তে উপকারভোগীদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৮ থেকে সাড়ে ৮ কেজি। প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অনিয়ম চললেও রহস্যজনক কারণে নীরব রয়েছেন তদারকি কর্মকর্তারা।

সরেজমিনে মিরাট ইউনিয়নের জামালগঞ্জ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, তিনটি ওয়ার্ডের চাল বিতরণ চলছে। সেখানে আসা সখিনা বিবি, হাজরা বেগম ও সুফিয়াদের চোখে-মুখে রাজ্যের হতাশা। ১০ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও তাদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে পরিমাণে অনেক কম।

উপকারভোগীদের অভিযোগ, “হামাকেরে (আমাদের) ১০ কেজি দেবার কথা বলে ৮-৯ কেজি দিচ্ছে। প্রতিবাদ করলে চাল দেওয়া হবে না বলে ধমকানো হচ্ছে। গরিব মানুষের কথা শোনার কেউ নেই।” একই অভিযোগ করেন আজাদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর তাকেও দেওয়া হয়েছে বরাদ্দের চেয়ে ২ কেজি কম চাল।

চাল কম দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাদেশ এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুস সালাম অদ্ভুত যুক্তি দাঁড় করান। তাদের দাবি, গুদাম থেকেই নাকি চাল কম এসেছে। বাদেশ বলেন, “আইসিটি অফিসারের সামনেই আমরা বস্তায় ২-৩ কেজি কম পেয়েছি। এখন আমরা নিজের পকেটের টাকা দিয়ে তো আর চাল কিনে দেব না, তাই সবাইকে কম দিচ্ছি।”

এদিকে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আজাদ হোসেনের বক্তব্যে অনিয়মের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ফুটে ওঠে। তিনি সরাসরি অভিযোগের আঙুল তোলেন প্রশাসনের দিকে। তার দাবি, ইউনিয়নের প্রশাসক কামরুজ্জামান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলী আল ইফতেখার নিজেই তাদের ৯ কেজি করে চাল দেওয়ার ‘নির্দেশ’ দিয়ে গেছেন। তবে ৮ কেজি দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।

চাল কম দেওয়ার এই সিন্ডিকেটের মূলে কারা রয়েছে, তা জানতে রানীনগর খাদ্য গুদামের ওসিএলএসডি তারানা আফরিনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, পুরো বিষয়টিকে পাশ কাটিয়ে গেছেন রানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাকিবুল হাসান। তিনি জানান, বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। তবে তার কাছে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার চিরাচরিত আশ্বাস দেন তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি ত্রাণের চালে এই নজিরবিহীন চুরির পেছনে ইউপি প্রশাসক, সদস্য এবং খাদ্য গুদামের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট জড়িত। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সরকারের ঈদ উপহারের মূল উদ্দেশ্যই ভেস্তে যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!