1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
আরও ২ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া, যা বলছে ইরান - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

আরও ২ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া, যা বলছে ইরান

প্রতিনিধি

অস্ট্রেলিয়ায় চলমান নারী এশিয়ান কাপ ফুটবলে গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচ হেরেই গত ৮ মার্চ যাত্রা শেষ হয়েছে ইরানের। তবে দেশটির নারী ফুটবলাররা নিরাপত্তা শঙ্কায় দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ইরানের প্রথম ম্যাচের আগে প্রথা মেনে জাতীয় সংগীত বাজানো হলেও ইরানি ফুটবলাররা তাতে ঠোঁট মেলালেন না। এটি দেশের বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ নাকি হামলার কারণে শোক প্রকাশ, নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কিন্তু এমন ঘটনায় ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছেন ফুটবলাররা।

এমনকি নারী ফুটবল দল দেশে ফিরলে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছিলেন ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের এক উপস্থাপক। ওই ঘটনার পর অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী ইরানিরা জোরালো দাবি জানান, তাদের যেন অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় দেওয়া হয়। একই দাবি জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তারই প্রেক্ষিতে প্রথমে পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় (এসাইলাম) দেয় অস্ট্রেলিয়ান সরকার। নতুন করে আরও দুই ফুটবলারকে আশ্রয় দেওয়ার কথা জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কে।

অবশ্য অস্ট্রেলিয়ান ইরানিরা পুরো ফুটবল দলকেই দেশে না ফেরার আহবান জানিয়েছিল। এমনকি টনি বার্কেও তাদেরকে তার দেশে থেকে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে যুদ্ধের মধ্যেই দেশে ফিরতে যাচ্ছেন সাতজন বাদে বাকি খেলোয়াড়রা। ইরানের প্রধান কোচ মারজিয়া জাফরি বলেছেন, খেলোয়াড়রা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ইরানে ফিরতে চায়। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফও। তিনি ফুটবলারদের নিজ দেশেই নিরাপত্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া ট্রাম্প ফুটবলেও ‘সরাসরি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’ করছেন বলে দাবি ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কে’র সঙ্গে আশ্রয় প্রত্যাশী ৭ ইরানি ফুটবলার
ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘ইরান তার সন্তানদের দু’হাত প্রসারিত করে স্বাগত জানাচ্ছে এবং তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে সরকার। ইরানি জাতির পারিবারিক বিষয়ে কারও হস্তক্ষেপের অধিকার নেই এবং একইসঙ্গে কেউ মায়ের চেয়ে মাসির মতো বেশি দরদ দেখানোরও সুযোগ নেই।’ এ ছাড়া ইরানের ফুটবল ফেডারেশন আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে (ফিফা) ‘ট্রাম্পের ফুটবলেও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের’ বিষয়টি পর্যালোচনার আহবান জানিয়েছে।

সংবাদসংস্থা এপি বলছে, এশিয়ান কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় তোপের মুখে পড়েন ইরানের নারী ফুটবলাররা। পরের ম্যাচে অবশ্য তারা জাতীয় সংগীত গাওয়ার পাশাপাশি ‘সামরিক স্যালুট’ও দিয়েছেন। সেই বিষয়টি এখন আর ইরানের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক মহল বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়াও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ট্রাম্প সরাসরি এশিয়া কাপ আয়োজক দেশে যোগাযোগ করে তারা আশ্রয় না দিলে, ইরানি ফুটবলারদের যুক্তরাষ্ট্রে এসাইলাম দেওয়ারও প্রস্তাব দেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে কেউ কেউ সেখানেই আশ্রয় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও, স্কোয়াডে থাকা বেশিরভাগ ফুটবলারই পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে দেশে ফেরার পথে আছেন।

ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, কেঁদে কেঁদে বললেন ‘সুখবরের অপেক্ষা করছি’
উত্তর কোরিয়ার ‘টপ সিক্রেট লিগ’ : রহস্যের জালে ঘেরা ফুটবল
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কে জানিয়েছেন, ‘আমরা এসব নারী ফুটবলারের খেলায় খুবই বিস্মিত এবং তাদের এখানে থাকার প্রস্তাব দিয়েছি। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার তাদের হাতে ছিল, অস্ট্রেলিয়া সরকার ও অফিসিয়ালরা কেবল তাদের উপায় বলে দিয়েছে। যার যার ব্যক্তিগত মর্যাদা নিশ্চিতের সিদ্ধান্ত তার। আমরা তাদের উপর কিছু চাপিয়ে দিতে পারি না। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপর তারা কী চাপ অনুভব করতে পারে!’

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!