1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
প্রতিহিংসার রাজনীতিতে নির্বাচন ও শান্তি হুমকিতে পড়ছে: অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাঁচ বছরের অপেক্ষা, এখনো অসমাপ্ত সেতু: রশি টানা নৌকাতেই নদী পার পাঁচ গ্রামের মানুষের uxhy8x5r7hmbft2v লাহোরে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধস: নিহত ১৪ শিক্ষার্থী, ভবনমালিকসহ গ্রেপ্তার ৫ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রদূতের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক, এখন গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় নেতৃত্বের সময়: প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে জুনে ফিরলেন ৫৮৩ বাংলাদেশি, বাড়ছে মানবপাচার নিয়ে উদ্বেগ Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল

প্রতিহিংসার রাজনীতিতে নির্বাচন ও শান্তি হুমকিতে পড়ছে: অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ

প্রতিনিধি

গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগ বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তিনি বলেন, দলটির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির কারণে দেশের নির্বাচনী পরিবেশ ও সামগ্রিক শান্তি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর বিএফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত “আসন্ন গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলে প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান হবে” শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্কে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মতো বিশাল আত্মত্যাগের সুফল আজও জাতি পুরোপুরি পায়নি। তার মতে, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রভাবাধীন ছিল, যার ফলশ্রুতিতে একদলীয় ও কলংকিত শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষমতার মোহে শেখ হাসিনা রাজনৈতিকভাবে দুর্বৃত্তে পরিণত হন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেসব সহিংস ঘটনা ঘটছে, এর পেছনে পতিত স্বৈরাচার ও পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের মদদ রয়েছে। বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যার কারণে কোনো দেশের দূতাবাস তাদের কর্মীদের ফিরিয়ে নিতে হবে। ভারত বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক পরিবর্তন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া মেনে নিতে পারছে না বলেই এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, আসন্ন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রচর্চা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের যাত্রা শুরু হবে। তবে শুধু নির্বাচন সুষ্ঠু হলেই প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ হবে না। এর জন্য রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশকে পুরোপুরি সন্তোষজনক বলা না গেলেও সহিংসতার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, অতীতের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় আসন্ন নির্বাচন নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। এটি ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে নির্বাচন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের রক্তের প্রতিশোধের নির্বাচন এবং ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নির্বাচন।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য ও প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে তা যেন প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অতিমাত্রায় বিদ্বেষ, কুৎসা ও আক্রোশ রাজনৈতিক অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করে তুলছে, যা সুযোগ তৈরি করছে পালিয়ে যাওয়া গোষ্ঠীর জন্য নির্বাচনকে বিতর্কিত করার।

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বাংলাদেশের রাজনীতির একটি কালো অধ্যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যাতে সহিংস ঘটনা না ঘটে, সে জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে।

ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, রানার আপ হয় ইডেন মহিলা কলেজ এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে তেজগাঁও কলেজ। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন ইডেন মহিলা কলেজের দলনেতা মাসনুন নাবিলাহ আলম

চ্যাম্পিয়ন দলকে দুই লাখ টাকা, রানার আপ দলকে দেড় লাখ টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলকে এক লাখ টাকাসহ ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। শ্রেষ্ঠ বক্তাকে দেওয়া হয় ৫০ হাজার টাকা, ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র।

বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক কাজী হাফিজ, সাংবাদিক মাইদুর রহমান রুবেল ও সাংবাদিক আফরিন জাহান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!