ইপেপার / প্রিন্ট
ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে ভেনেজুয়েলাকে চাপে রাখার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সব যুদ্ধজাহাজকে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে মোতায়েন করেছিল। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো রণতরী ছিল না।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউজন্যাশন জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং তার স্ট্রাইক গ্রুপকে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর নির্দেশ দিয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, গত অক্টোবরে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড রণতরীকে ভূমধ্যসাগর থেকে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ইরানে হামলার জন্য কোনো রণতরী বা স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে না। পাশাপাশি ইউরোপেও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরী নেই।
নিরাপত্তাজনিত কারণে অস্থায়ীভাবে বন্ধের পর আবারও নিজেদের আকাশসীমা খুলে দিয়েছে ইরান। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডাটায় দেখা গেছে, ইরানের আকাশসীমায় বিমান পুনরায় প্রবেশ করছে।
ফ্লাইটরাডার২৪ নিশ্চিত করেছে, ইরানের আকাশসীমা বন্ধের নোটিশের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে নির্দিষ্ট ও অনুমোদিত ফ্লাইট ছাড়া সব ধরনের বিমান চলাচল আবারও স্বাভাবিক হয়েছে।
ইরান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের হামলার শঙ্কা এবং দেশব্যাপী বিক্ষোভের কারণে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা ও মৃত্যুদণ্ড দেওয়াসহ সহিংসতা বন্ধ করেছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্য আগের হুমকি-স্বরের তুলনায় অনেকটাই “নরম সুরের” ছিল।
এতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা কিছুটা স্থিতিশীল হলেও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী মোতায়েন এ অঞ্চলে অব্যাহত নিরাপত্তা উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে।