1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
পুতিনকে সমর্থনের খেসারত দিচ্ছে ভারত, বাকিদেরও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে - NEWSTVBANGLA
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন

পুতিনকে সমর্থনের খেসারত দিচ্ছে ভারত, বাকিদেরও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে

প্রতিনিধি

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনে ইউক্রেনে যুদ্ধ চালানোর সুযোগ করে দিচ্ছে ভারত, চীনসহ কয়েকটি দেশ। এমন অভিযোগই তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।

তিনি বলেছেন, এই কেনাকাটার ফলেই নিরীহ মানুষ, এমনকি শিশুদের প্রাণ যাচ্ছে। এছাড়া ভারত ইতোমধ্যেই পুতিনকে সমর্থনের খেসারত দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

তার মতে, ভারতের মতো কাজ করলে অন্য দেশগুলোকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম আবারও ভারত, চীনসহ অন্যান্য দেশ যারা রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনছে তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, এই কেনাকাটাই ইউক্রেনে মস্কোর যুদ্ধযন্ত্রকে জ্বালানি জোগাচ্ছে।

ভারতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন সেটিই প্রমাণ করছে যে নয়াদিল্লি এখন ভ্লাদিমির পুতিনকে সমর্থনের খেসারত দিচ্ছে। অন্য দেশগুলোকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

গ্রাহাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, “ভারত, চীন, ব্রাজিলসহ যারা সস্তায় রাশিয়ার তেল কিনে পুতিনের যুদ্ধযন্ত্রকে টিকিয়ে রাখছে— আপনাদের কেমন লাগছে এটা জেনে যে আপনাদের কেনাকাটার ফলেই নিরীহ মানুষ, এমনকি শিশুরাও মারা যাচ্ছে? ভারত এখন খেসারত দিচ্ছে। বাকিরাও শিগগির দেবে।”

বৃহস্পতিবার ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলার পর তার এই বক্তব্য এসেছে। কিয়েভে হওয়া ওই হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন।

গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার মূল অর্থ আসে তেল-গ্যাস রপ্তানি থেকে এবং পশ্চিমা বিশ্বের বাইরের দেশগুলোই সেটিকে টিকিয়ে রাখছে। এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “তেল-গ্যাসের রাজস্ব ছাড়া রাশিয়া ভেঙে পড়বে। তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত রুশ তেল-গ্যাসের ক্রেতাদের চাপে ফেলা— ভারত, চীন, ব্রাজিল।”

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ট্রাম্প এই হামলার খবর শুনে হতাশ হয়েছেন, তবে বিস্মিত নন, কারণ দুই দেশ অনেক দিন ধরেই যুদ্ধে লিপ্ত। তিনি জানান, রাশিয়ার হামলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং গত আগস্টে ইউক্রেনও রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোর ওপর বড় ধরনের আঘাত হেনেছিল।

লেভিট আরও বলেন, “হয়তো এই যুদ্ধের দুই পক্ষই এখনো নিজেরা এটিকে শেষ করার মতো প্রস্তুত নয়। প্রেসিডেন্ট চান যুদ্ধ শেষ হোক, তবে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে এই দুই দেশের নেতাদেরই।”

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, এই হামলাই প্রমাণ করে শান্তি আলোচনার বদলে রাশিয়া আবারও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। তিনি এক্স-এ লিখেছেন,
“রাশিয়া আলোচনার টেবিলের বদলে বেছে নিয়েছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। তারা যুদ্ধ শেষ করার বদলে মানুষ হত্যা চালিয়ে যেতে চাইছে।”

অন্যদিকে রাশিয়ার দাবি, তাদের হামলা ছিল ইউক্রেনের সামরিক ও শিল্প স্থাপনা এবং বিমান ঘাঁটিতে। তারা আরও জানায়, ইউক্রেনও রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তবে মস্কো জানিয়েছে, শান্তি আলোচনায় বসার আগ্রহ তাদের এখনো আছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!