1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
২০২৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয় আবেদন কমেছে ১৩ শতাংশ - NEWSTVBANGLA
শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

২০২৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয় আবেদন কমেছে ১৩ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

২০২৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে আশ্রয় চেয়ে করা আবেদনের সংখ্যা তার আগের বছরের তুলনায় অন্তত ১৩ শতাংশ কমেছে। ২০১৩ সাল থেকে ইইউতে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রধান জাতীয়তা হলো সিরিয়া।

সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে গত বছরও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে আশ্রয় আবেদনের শীর্ষে ছিল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশটির নাগরিকরা। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
ইউরোপের ২৭টি সদস্য দেশের এই ব্লকের পরিসংখ্যান কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ইইউতে আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ কমে ৯ লাখ ১২ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুসারে, গত বছর সিরিয়ার নাগরিকদের ১ লাখ ৪৮ হাজার জন প্রথমবারের মতো আবেদন জমা দিয়েছিলেন, যা মোট আবেদনের ১৬ শতাংশ। তারপরে রয়েছে ভেনেজুয়েলা ৭২ হাজার ৮০০ (যা মোট আবেদনের ৮ শতাংশ) এবং আফগানিস্তান ৭২ হাজার ২০০ (যা মোট আবেদনের ৮ শতাংশ) নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

আনাদোলু বলছে, ২০১৩ সাল থেকে ইইউতে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রধান জাতীয়তা হলো সিরিয়া। গত বছরের ডিসেম্বরে মধ্যপ্রাচৌর যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশটিতে দশকের পর দশক ধরে চলা আসাদ শাসনের পতন ঘটে, যার ফলে দেশটির ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধেরও অবসান ঘটে। প্রায় দেড় দশক আগে শুরু হওয়া সেই সংকটের কারণে সিরিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিরীয় অভিবাসীদের বন্যা বয়ে গিয়েছিল।
এদিকে গত বছর ২ লাখ ২৯ হাজার ৭০০ জন প্রথমবারের মতো আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার পরও ইইউতে সর্বোচ্চ সংখ্যক আবেদন গ্রহণকারী দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে জার্মানি। মূলত দেশটিতে হওয়া আবেদন ইইউতে প্রথমবারের মতো আবেদনকারীদের এক-চতুর্থাংশ।

জার্মানির পরে রয়েছে স্পেন (১ লাখ ৬৪ হাজার, ১৮ শতাংশ), ইতালি (১ লাখ ৫১ হাজার ১০০, ১৭ শতাংশ), ফ্রান্স (১ লাখ ৩০ হাজার ৯০০, ১৪ শতাংশ) এবং গ্রিস (৬৯ হাজার, ৮ শতাংশ) রয়েছে; গত বছর ইইউতে প্রথমবারের মতো আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে নিবন্ধিতদের ৮২ শতাংশই ছিল এসব দেশের।
স্পেনের ক্যানারি দ্বীপে এক দিনে পৌঁছেছেন ৪৫২ অভিবাসী
আনাদোলু বলছে, প্রতিটি ইইউ দেশের জনসংখ্যার তুলনায় ২০২৪ সালে গ্রীক সাইপ্রিয়ট প্রশাসনে নিবন্ধিত প্রথমবারের মতো আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ছিল সর্বাধিক (প্রতি ১০০০ জনে ৭.২ জন প্রথমবারের মতো আবেদনকারী), তারপরে গ্রিস (৬.৬), আয়ারল্যান্ড এবং স্পেন (প্রতি হাজারে ৩.৪) এবং লুক্সেমবার্গ (৩.২)।

ইইউ জনসংখ্যার তুলনায়, ২০২৪ সালে প্রতি ১০০০ জনে দুজন প্রথমবারের মতো আশ্রয়প্রার্থী ছিলেন।
ইউরোস্ট্যাট আরও জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ৩৬ হাজার ৩০০ জন সঙ্গীহীন নাবালকও আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন, যার মধ্যে ৩২ শতাংশ সিরিয়ার (১১ হাজার ৬০০)। এছাড়া আফগানিস্তান (৫ হাজার ৭০০, ১৬ শতাংশ), মিসর (৩ হাজার, ৮ শতাংশ), সোমালিয়া (২ হাজার ৪০০, ৭ শতাংশ) এবং গিনি (১ হাজার ৩০০, ৪ শতাংশ) থেকে আবেদন করেছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট