যৌথ পরিবার ছিল এ আর রহমানের। তাই সেখানে যেকোনো নতুন সদস্যের জন্য প্রতিকূলতা সৃষ্টি করতে পারে, সে বিষয়ে অনেক আগে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন রহমান। তবে শিল্পী ও সায়রার সন্তান আসার পর সব ঠিক হয়ে যায় বলেও জানিয়েছিলেন শিল্পী। কিন্তু আজ কেন বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন, তা যেন মেনে নিতে পারছে না অনেকেই।
এদিকে আবার রহমানের টিমের সদস্য বাঙালি গিটারিস্ট মোহিনী দে-ও ডিভোর্সের ঘোষণা করেন। আর সেখান থেকেই রহমানের প্রেম জল্পনা তৈরি হয়। যদিও এমন দাবি যে ভুল, তা জানিয়ে দিয়েছেন রহমানেরই এক ঘনিষ্ঠজন।
রহমানের কথায়, ‘সে সময় আমার নিজেকে খুব বুড়ো মনে হতো। আর আমি সবসময় খুবই লাজুক ছিলাম, আর মেয়েদের সঙ্গে বেশি কথা বলিনি। অনেক তরুণী গায়কের সঙ্গেই আমার আলাপ হয়েছে। স্টুডিওতে যখন আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম তখনও আমি কোন মেয়ের দিকে তাকাতাম না এই ভেবে যে আমার সময় নেই। আমি ঘড়ি ধরে কাজ করতাম।’
সেখানেই সায়রার সঙ্গে দেখা হওয়ার বিষয়ে রহমান বলেন, ‘তিনি (সায়রা) সুন্দর এবং ভীষণই ভদ্র ছিলেন। আমাদের প্রথমবার দেখা হয়েছিল ৬ জানুয়ারি ১৯৯৫, সেটা ছিল আমার ২৮তম জন্মদিন। খুবই স্বল্প সময়ের জন্য সেই সাক্ষাৎ হয়েছিল। তবে আমরা বেশিরভাগ সময়ই ফোনে কথা বলতাম। সায়রা কচ্চি এবং ইংরেজিতে কথা বলত। তবে আমি ওকে বলি, যদি সে আমাকে বিয়ে করতেই চায় তাহলে যেন ও ইংরেজিতেই কথা বলে। সায়রা অবশ্য তখন খুব শান্ত ছিল। এরপর থেকে সায়রা বানু অবশ্য গুজরাটের কচ্চি ভাষা ছেড়ে এ আর রহমানের সঙ্গে ইংরেজিতেই কথা বলতেন।’
পরে এক সাক্ষাৎকারে স্ত্রী সায়রা বানুর চরিত্রের আরও একটা দিক তুলে ধরেছিলেন রহমান। বলেছিলেন, ‘সায়রার চরিত্রের দুটি দিক আছে, যখন সে শান্ত খুবই শান্ত, আবার যখন সে রেগে যায় প্রচণ্ড রেগে যায়। হয়ত ও শপিং-এ বের হতে চাইছে, তবে পারছে না, তখন ও খুব রেগে যেত।’
রহমান আরও বলেন, ‘আমি সম্পর্কের শুরুতেই ওকে (সায়রা) বলে দিয়েছিলাম, ওর বিয়ের পর কেমন জীবন হবে। ও শর্তে রাজি ছিল।’ বলে রাখা,
রহমানের যৌথ পরিবার ছিল, তাই কোনও নতুন সদস্যের সেখানে এসে শুরুতে মানিয়ে নিতে একটু অসুবিধা হবে, এমনটিই হয়ত ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রহমান। তবে সন্তান আসার পর তাদের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যায় বলেও জানিয়েছিলেন রহমান।