সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)–তে মুসলিমদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, এবার এই উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশটির বাসিন্দারা প্রায় ছয় দিন দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করতে পারেন।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, ঈদুল আজহা ইসলামি বর্ষপঞ্জির ১২তম মাসে পালিত হয় এবং এটি মুসলিমদের জন্য ‘ত্যাগের উৎসব’ হিসেবে পরিচিত। এই দিনটি হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আল্লাহর আদেশে নিজের সন্তানকে কোরবানি দেয়ার স্মরণে উদযাপিত হয়। মুসলিমরা এই দিনে নামাজ, দান-সদকা এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে ধর্মীয় আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।
বর্তমান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ছুটি শুরু হতে পারে ২৬ মে (মঙ্গলবার) যেদিন আরাফাতের দিন পালিত হবে। এরপর ২৭ মে (বুধবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে এবং ঈদের তৃতীয় দিন ২৯ মে (শুক্রবার) পর্যন্ত চলতে পারে।
উল্লেখযোগ্য, আমিরাতের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে ছুটিটি টানা ছয় দিন পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে আগাম ভ্রমণ পরিকল্পনা ও বুকিংয়ের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানরা এ অনুযায়ী ২৮ মে ঈদ উদযাপন করবেন। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর।
বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, ঈদুল আজহা কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি হযরত ইব্রাহিম (আঃ)-এর আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের নিদর্শন। বিশ্বের মুসলিমরা পশু কোরবানি দিয়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে এই উৎসব পালন করেন।