বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জন্য একের পর এক ‘নরকের দরজা খুলবে’: আইআরজিসি

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। মঙ্গলবার এই যুদ্ধ চতুর্থ দিনে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ওই দুই দেশের বিরুদ্ধে চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।

আইআরজিসি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা আরও তীব্র হবে। যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইরানের এই বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য আরও অধিক ‘জাহান্নামের দরজা’ উন্মুক্ত হবে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে আইআরজিসির মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেছেন, শত্রুদের জন্য সামনে আরও ভয়াবহ এবং ক্রমাগত শাস্তিমূলক হামলা অপেক্ষা করছে।

• ইউরোপকেও হুঁশিয়ারি ইরানের
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোকে যোগ না দেওয়ার বিষয়ে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতা ধ্বংস করার জন্য জার্মানি, ব্রিটেন ও ফ্রান্স ‘‘প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা’’ নিতে পারে বলে জানানোর পর তেহরান ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

মঙ্গলবার তেহরানে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ‘‘এটি যুদ্ধের শামিল হবে। ইরানের বিরুদ্ধে এ ধরনের যেকোনও পদক্ষেপকে হামলাকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই দেখা হবে।’’

• ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী হামলায় ইরানে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে। গত চার দিন ধরে দেশটিতে চলা হামলায় আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ। মঙ্গলবার ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকে মঙ্গলবার সরকাল পর্যন্ত ৭৮০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ।