বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সারাদেশে কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এই দাবি জানান। তারা বলেন, দাবি পূরণ না হলে প্রতিটি জেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে এবং জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এরপরও সরকার দাবি মানতে ব্যর্থ হলে জোট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জোটের সদস্যসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ২৭ জুলাই জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠন করে। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের সভাপতি করা হয়। কমিশনকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বিদ্যমান বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনা করে একটি সময়োপযোগী পে-স্কেল প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন যেন জারি না হয়, সে উদ্দেশ্যে বহুমুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এমনকি যাদের এ বিষয়ে মতামত দেওয়ার এখতিয়ার নেই, তারাও প্রকাশ্যে পে-স্কেল নিয়ে মন্তব্য করছেন। এতে শিক্ষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

দেলাওয়ার হোসেন আজিজী আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাম্প্রতিক নেতিবাচক মন্তব্য পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। ওই মন্তব্য প্রত্যাহারের জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাধ্যমিক কারিগরি শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. মতিউর রহমান, বাংলাদেশ এমপিওভুক্ত শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক মো. নুরুল আমিন হেলালী, বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ শিক্ষক ফোরামের সভাপতি মো. হাবিবুল্লাহ রাজুসহ বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের নেতারা।