বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

২৮ দিনে ২৮ উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর কর্মতৎপরতায় ‘অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ দাবি উপদেষ্টার

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর প্রথম ২৮ দিনে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপকে ‘অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব উদ্যোগ তুলে ধরেন।

মাহদী আমিন বলেন, ১৭ মার্চের মাধ্যমে সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হলো। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপগুলো শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, বরং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।

উপদেষ্টার দেওয়া তথ্যে জানা যায়, সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলাসহ বিভিন্ন খাতে মোট ২৮টি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের সম্মানী প্রদান, কৃষকদের ঋণ মওকুফ ও কৃষক কার্ড চালু, দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি এবং শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিশ্চিতকরণ।

প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে সরকারি অফিসের সময়ানুবর্তিতা জোরদার, ভিভিআইপি প্রটোকল হ্রাস এবং সংসদ সদস্যদের কিছু বিশেষ সুবিধা বাতিলের মতো সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে বাজার মনিটরিং জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ এবং বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা খাতে পুনর্ভর্তি ফি বাতিল, বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আর্থিক সহায়তা এবং নতুন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবায় ই-হেলথ কার্ড চালু ও বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাতীয় পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিও শুরু হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নারীর নিরাপত্তায় বিশেষ উদ্যোগ এবং নারী পরিচালিত পরিবহন চালুর পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়। এছাড়া রাষ্ট্রীয় ব্যয় সাশ্রয়, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

মাহদী আমিন তার বক্তব্যে বলেন, এই উদ্যোগগুলো প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধারাবাহিকতা দেশের উন্নয়ন ও নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।