জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিস্তারিত আলোচনা চান। তিনি জানান, এই অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছিল এবং সেই কমিটির রিপোর্ট স্পিকার অনুমোদন করেছেন। কমিটি কিছু অধ্যাদেশ ‘ল্যাপস’ (বিলুপ্ত) করার প্রস্তাব দিয়েছিল। বিরোধীদলীয় নেতার মতে, ল্যাপসের প্রস্তাবিত অধ্যাদেশগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ‘জুলাই স্পিরিটের’ সঙ্গে সম্পর্কিত।
রোববার (৫ এপ্রিল) সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্যসূচির শুরুতে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যাতে ল্যাপসের তালিকাভুক্ত অধ্যাদেশগুলো নিয়ে সংসদে আলোচনা করা যায়।
আইনমন্ত্রী প্রাথমিকভাবে জানান, বিরোধীদলীয় নেতা যে দুটি বিলের কথা বলেছেন, সেগুলো ১৩৩টি অধ্যাদেশ থেকে উৎসারিত নয়, বরং নতুন (ফ্রেশ) বিল। তবে পরে তিনি সংশোধনী দিয়ে জানান, বিরোধীদলীয় নেতা যে দুটি আইনের কথা বলছেন, সেগুলোও ওই ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ছিল।
বিরোধীদলীয় নেতা আবারও জোর দেন, যে অধ্যাদেশগুলো ল্যাপস করার কথা বলা হয়েছে, সেগুলো জনগণের অধিকার সংরক্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি সংসদে তা উত্থাপন ও আলোচনার সুযোগ দেওয়ার দাবি করেন।
আইনমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দেন, প্রত্যেকটি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপিত হবে এবং ফার্স্ট রিডিং ও সেকেন্ড রিডিংয়ের সময় আলোচনার সুযোগ থাকবে। বর্তমানে যে দুটি অধ্যাদেশ বিল আকারে এসেছে, সেগুলো বিশেষ কমিটির সুপারিশে পাসের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছে।