বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

হামাস গাজার জনগণের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে: যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার (১৮ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে সতর্ক করে জানিয়েছে, হামাস গাজার বেসামরিক জনগণের ওপর সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তাদের কাছে এমন তথ্য রয়েছে যা বিশ্বস্ত বলে বিবেচিত, এবং এই ধরনের হামলা গাজায় ইতিমধ্যেই কঠিন পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও বিপজ্জনক করে তুলবে। এ ধরনের আক্রমণ শুধু চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন হবে না, বরং পুরো শান্তি প্রক্রিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টা বিপন্ন করবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যদি হামাস এই হামলা চালায়, তাহলে গাজার জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। একই সঙ্গে, যুদ্ধবিরতি অক্ষুণ্ণ রাখার মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা প্রদান করাই তাদের অগ্রাধিকার হবে। এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও সতর্ক করা হয়েছে যে, গাজায় বেসামরিক ক্ষতি এড়াতে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক বিধি অনুসরণ করা জরুরি।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও এই সময়ে গাজায় অভিযানে লিপ্ত ছিল এবং এতে অন্তত ২৮ ফিলিস্তিনিকে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শান্তি প্রক্রিয়ার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা ইতিমধ্যেই বিবৃতির মাধ্যমে উভয় পক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাধান অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজায় সংঘর্ষের সম্ভাব্য পুনরুত্থান এবং বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের খবর এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া একসাথে বিবেচনা করলে দেখা যায়, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং এতে অতিরিক্ত সহিংসতা এড়ানো বিশেষভাবে জরুরি।

এই প্রেক্ষাপটে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর থাকবে গাজার নিরাপত্তা ও যুদ্ধবিরতি রক্ষার দিকে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে এবং উভয় পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।