মঙ্গলবার , ১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ২৮শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’, এক দেশের ওপর হামলা মানেই সবার ওপর হামলা

প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক নিজেদের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে একটি ত্রিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। শুক্রবার (৮ আগস্ট) সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি-পরবর্তী এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই সমঝোতার মূল উদ্দেশ্য যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে বাকি দুই দেশের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং সে অনুযায়ী সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এছাড়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক সমন্বয়, নিরাপত্তা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়েও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান, তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরব এবং ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য তুরস্ক একটি নতুন নিরাপত্তা কাঠামোয় একত্রিত হলো। অনেকেই এটিকে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটের আর্টিকেল-৫ নীতির সঙ্গে তুলনা করছেন, যেখানে এক সদস্যের ওপর হামলাকে পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হয়।