বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সীমান্তে ‘পুশইন’ সংকট দ্রুত সমাধানের আশা সরকারের

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সাম্প্রতিক ‘পুশইন’ ইস্যুর সমাধান দ্রুত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের অবনতির উদ্দেশ্যে নয়; বরং এটি মূলত ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়-এ তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে বাংলাদেশে লোকজন ঠেলে পাঠানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু ছিল। নতুন সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে, যার প্রভাব সীমান্ত পরিস্থিতিতে প্রতিফলিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে চাপে রাখা বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরির কোনো পরিকল্পিত উদ্যোগ বলে তিনি মনে করেন না। বরং দুই দেশের সরকারই বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও ইতিবাচক পর্যায়ে নিতে আগ্রহী।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচনায় দুই দেশই পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নয়ন চায়। অতীতে সৃষ্ট কিছু জটিলতা কাটিয়ে ওঠার আগ্রহও উভয় পক্ষের মধ্যে রয়েছে। সে কারণে সীমান্তে সৃষ্ট বর্তমান সংকটেরও দ্রুত সমাধান হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু এবং এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে জাহেদ উর রহমান জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বর্তমানে রোগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করবে না— এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ এবং যৌক্তিক প্রশ্ন। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর তদন্ত কার্যক্রম শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সরকারের পক্ষ থেকে সীমান্ত পরিস্থিতি ও জনস্বাস্থ্য— উভয় বিষয়েই নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।