বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সিলেটের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর দীপংকরের মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

সিলেটের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণ প্রজন্মের প্রিয় মুখ দীপংকর দাস দ্বীপ আর নেই। বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোর রাতে প্রাণচঞ্চল এই তরুণ মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পারিবারিক ভালোবাসা, হাস্যরস ও ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া তার কনটেন্টে মুগ্ধ ছিল অসংখ্য অনুরাগী। তার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে সিলেটের কনটেন্ট ক্রিয়েটর মহল ও তরুণ সমাজ।

বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোর রাতে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন দীপের মামাতো ভাই দেবব্রত গুপ্ত দীপু। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উচ্চশিক্ষার জন্য মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান দীপংকর দাস দ্বীপ। মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৫টার দিকে তিনি মারা যান।

দীপংকর দাস দ্বীপ সিলেট নগরীর গোপালটিলা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মন্ডলকাপন পটিজুড়ি গ্রামে। তিনি দিব্যজিত দাস ও সুস্মিতা দাসের বড় ছেলে। পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ছোট ভাই দিবাকর দাস ধ্রুব।

সিলেটের আরেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও দীপের ঘনিষ্ঠ বন্ধু নুরুল আমিন জনি বলেন, গত রাতে হঠাৎ করে দ্বীপের বুকে ব্যথা অনুভূত হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, সে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়েছে। পরে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও জানান, দ্বীপের মরদেহ দেশে আসতে দুই-একদিন সময় লাগবে।

দীপংকর দাস দ্বীপ ছিলেন সিলেটের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্যামিলি কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার মা, ছোট ভাই, নানী ও বন্ধুদের নিয়ে তৈরি করা হাস্যরসাত্মক কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। তার ভিডিওগুলোতে পারিবারিক ভালোবাসা, আনন্দ আর ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে পড়ত প্রতিনিয়ত। দ্বীপের মৃত্যুতে সিলেটের কনটেন্ট ক্রিয়েটর মহল, তরুণ সমাজ ও অনুরাগীদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকবার্তা প্রকাশ করছেন।