বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ভিরে যানবাহনের চাপ বাড়ছে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড় এলাকায়। তবে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে, কোথাও যানজট দেখা যায়নি।

বুধবার (১৮ মার্চ) ভোর থেকে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত যমুনা সেতু পশ্চিম গোলচত্বর এলাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়নি।

সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের যমুনা সেতু পশ্চিম প্রান্ত, কড্ডার মোড়, নলকার মোড় ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকলেও সেগুলো স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে যাতায়াত সম্ভব হচ্ছে।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ চালক ও যাত্রীদের সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চালানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বাড়লেও এখন পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের কোথাও যানজট সৃষ্টি হয়নি।

এর আগে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্তও মহাসড়কের একই চিত্র দেখা গেছে। রাত ১১টা পর্যন্ত উত্তরবঙ্গগামী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল এবং কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি।

যমুনা সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেতু সাইট অফিস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার মোট ৪৬ হাজার ৯৪৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বমুখী ছিল ২৭ হাজার ৪৯৮টি এবং পশ্চিমমুখী ছিল ১৯ হাজার ৪৪৫টি, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ২৯ হাজার বেশি।

এতো বেশি যানবাহন চলাচলের পরও সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে যানজট না থাকায় ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারছেন।

উল্লেখ্য, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান সড়ক এই মহাসড়ক ও যমুনা সেতুর পশ্চিম অংশ। বিকল্প সড়ক না থাকায় ঈদের সময় সাধারণত এ পথে চাপ বাড়ে, তবে এবার এখন পর্যন্ত স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি বজায় রয়েছে।