বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

পুঁজিবাজারে শেয়ারের মূল্য ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত সার্কিট ব্রেকার এবং অন্যান্য বাজার নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত মাপকাঠি (মার্কেট কন্ট্রোল প্যারামিটারস) নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) হাতে ছেড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ১০১৮তম জরুরি কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ-সংক্রান্ত পূর্বের একটি আদেশ বাতিলেরও সিদ্ধান্ত হয়।

বুধবার (১ জুলাই) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যমান প্রবিধানমালা অনুযায়ী সার্কিট ব্রেকারের সীমাসহ বাজার নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন মাপকাঠি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের এখতিয়ার স্টক এক্সচেঞ্জ দুটিরই রয়েছে। সে কারণে পরিচালনাগত প্রয়োজন ও প্রচলিত বিধি-বিধান বিবেচনায় ডিএসই ও সিএসইকে স্বাধীনভাবে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ২০২১ সালের ১৭ জুন জারি করা কমিশনের Order No. BSEC/Surveillance/2020-975/219 বাতিল (রিপিল) করা হয়েছে।

বাজার-সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নিতে ডিএসই ও সিএসই আরও বেশি সক্ষম হবে। একই সঙ্গে বাজার পরিচালনায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের স্বায়ত্তশাসনও বৃদ্ধি পাবে।

এ বিষয়ে বিএসইসির মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেন, সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণের ক্ষমতা প্রবিধান অনুযায়ী আগে থেকেই স্টক এক্সচেঞ্জের ছিল। তবে এতদিন কমিশনের নির্দেশনা অনুসারে এটি পরিচালিত হতো। কমিশন এখন মনে করছে, আইন অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জের যে স্বাধীনতা রয়েছে, সেটি কার্যকরভাবে প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া উচিত। তাই আগের আদেশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাজার পরিচালনায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার সরাসরি হস্তক্ষেপ কমিয়ে স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও দায়িত্বশীলতা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।