বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সান্তাহার দুর্ঘটনার প্রভাব: অনিশ্চিত নীলসাগর, বিকেলে ছাড়ছে একতা—ঈদযাত্রায় চরম ভোগান্তি

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

সান্তাহারে ট্রেন দুর্ঘটনার জেরে উত্তরবঙ্গগামী রেল চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক বিঘ্ন, যার ফলে ঈদে ঘরমুখো হাজারো যাত্রী পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়সূচি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।

পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও সেটির নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে। এতে কয়েক ঘণ্টার দীর্ঘ বিলম্বে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে সৈয়দপুরগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটির অবস্থা আরও অনিশ্চিত। ভোর ৬টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও প্রথমে সেটি সকাল ১০টা ১০ মিনিটে পিছিয়ে দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে ট্রেনটির নির্দিষ্ট ছাড়ার সময় বাতিল করা হয়, ফলে যাত্রীরা কখন ট্রেনটি ছাড়বে তা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই ভোর থেকে অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের আশায় আগেভাগেই টিকিট কেটে রেখেছিলেন, কিন্তু অনিশ্চয়তায় তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তায় অনেকেই বিকল্প পরিবহনের কথাও ভাবছেন।

ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আগের দিন প্রায় চার ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকায় পৌঁছায় এবং ট্রেনটিতে কোচের ঘাটতি দেখা দেয়। নতুন কোচ সংযোজনের কাজ চলমান থাকায় ট্রেন ছাড়তে দেরি হচ্ছে।

ঈদকে সামনে রেখে এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দ্রুত সময়সূচি স্বাভাবিক না হলে চাপ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।