সোমবার , ৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ২১শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সাতক্ষীরায় এক বছরে ৯৫ কেজি হরিণের মাংস জব্দ

প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে গত এক বছরে (২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) ৯৫ কেজি ৫০০ গ্রাম হরিণের মাংস জব্দ করেছে বন বিভাগ। এ সময় ২০ জন শিকারি গ্রেপ্তার হয়েছেন। পলাতক রয়েছেন ৪ জন।

হরিণ শিকারিরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গুলি করে বা ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার অব্যাহত রেখেছেন তারা।

সুন্দরবনে মায়া হরিণ ও চিত্রা হরিণের দেখা পাওয়া যায়। এর মধ্যে মায়া হরিণের সংখ্যা কম হলেও চিত্রা হরিণ তুলনামূলক বেশি। হরিণ সুরক্ষায় বন বিভাগের প্রকল্প চলমান থাকলেও শিকার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

গত ৫ আগস্ট সাতক্ষীরা কারাগার থেকে পালানো ৮৭ জন আসামির একটি অংশ সুন্দরবনে ঢুকে পড়ে। তারা অস্ত্রসহ অবস্থান করছে এবং খাদ্য সংগ্রহের জন্য হরিণ শিকার চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া কিছু বনদস্যু জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করছে।

২০২৪ সালে বন বিভাগ একটি মৃত হরিণ, হরিণের একটি চামড়া, দেড় হাজার ফাঁদ, ৫০০ কলিজাসহ হরিণ শিকারের বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করেছে। গত বছরের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭৮ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের দাবি, শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে শিকারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনে বসবাসকারী জেলে ও মৌয়ালরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান জানান, হরিণ শিকার বন্ধ এবং বনদস্যুদের দমন করতে শিগগিরই যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সুন্দরবন সুরক্ষায় প্রশাসনের কঠোর উদ্যোগ এবং স্থানীয়দের সচেতনতা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০২৪ সালে বন বিভাগ একটি মৃত হরিণ, হরিণের একটি চামড়া, দেড় হাজার ফাঁদ, ৫০০ কলিজাসহ হরিণ শিকারের বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করেছে। গত বছরের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭৮ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের দাবি, শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে শিকারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনে বসবাসকারী জেলে ও মৌয়ালরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান জানান, হরিণ শিকার বন্ধ এবং বনদস্যুদের দমন করতে শিগগিরই যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সুন্দরবন সুরক্ষায় প্রশাসনের কঠোর উদ্যোগ এবং স্থানীয়দের সচেতনতা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।