বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় বরগুনার নূর শাহানা হক

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ের পর সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের বিষয়ে চলছে আলোচনা। সারাদেশের ন্যায় বরগুনার বিভিন্ন নারী নেত্রীদের মধ্যে এবার আলোচনায় এসেছে নূর শাহানা হকের নাম। তিনি বরগুনা জেলা বিএনপির পৌর শাখার সাবেক সদস্য এবং ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রচারণা উপকমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন।

নূর শাহানা হক ১৯৮৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও তার স্বামী মো. ফজলুল হক ছগির ১৯৯১ সালের ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ফজলুল হক ছগির একাধিক মেয়াদে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, আহ্ববায়ক এবং সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্ববায়ক থাকাকালীন ২০১০ সালে তার মৃত্যু হয়।

স্বামী মো. ফজলুল হক ছগিরের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমর্থন দিয়েছেন নূর শাহানা হক। এছাড়াও স্বামীর মৃত্যু এবং সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর পুরোপুরিভাবেই রাজনৈতিক ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন তিনি। আর এ কারণেই সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে নূর শাহানা হকের নাম।

বিষয়টি নিয়ে ঢাকা পোস্টকে নূর শাহানা হক বলেন, আমার স্বামী এবং শ্বশুরসহ পরিবারের অনেকেই বরগুনায় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকারি চাকরির সুবাদে আমি ওই সময়ে প্রত্যক্ষভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত করতে পারিনি। তবে অবসরের পর থেকেই বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে জনগণের দোরগোড়ায় গিয়েছি। তারা আমার পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক অবদান এবং আদর্শ সম্পর্কে জানেন। আর এ কারণেই বর্তমানে তাদের একটাই প্রত্যাশা যাতে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হিসেবে আমাকে মনোনীত করা হয়।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহীন বলেন, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের বিষয়ে এখন পর্যন্ত দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি। তবে সংসদ সদস্য নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হবে বলেও জানান তিনি।