বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ উপ-নির্বাচন: ১৬ মার্চ থেকে মাঠে নামবেন প্রার্থীরা

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

আসন্ন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের পর আগামী ১৬ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার-প্রচারণা শুরু করবেন তারা। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা মোট ২৩ দিন প্রচারণার সুযোগ পাবেন।

শনিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন-এর নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রচারণা চালাতে পারবেন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর মো. মাসুদুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর মো. মাহমুদুল হক রুবেল, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)–এর মো. মিজানুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম। ইতোমধ্যে এই আসনে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে আপিল আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে এই আসনের এক বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় সেখানে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল। পরে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর মো. আবিদুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি–এর মো. আল আলিম তালুকদার। রিটার্নিং কর্মকর্তা ইতোমধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেছেন।

এই আসনে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারেক রহমান জয়ী হয়েছিলেন। তবে আইন অনুযায়ী একইসঙ্গে দুটি সংসদীয় আসনের সদস্য থাকা সম্ভব না হওয়ায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ফলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন তফসিল দেয় নির্বাচন কমিশন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি ১১ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৪ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ এবং ১৬ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ এপ্রিল।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১৬ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।