বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

শেয়ারবাজারে বড় ধস: একদিনেই ২% সূচক পতন, লেনদেন কমলো শতকোটি টাকা

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—উভয় বাজারেই সূচক ও লেনদেনে নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দিনের শুরু থেকেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমতে থাকে এবং এ ধারা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।

ডিএসইতে দিন শেষে মোট ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে মাত্র ২৫টির দাম বেড়েছে, বিপরীতে ৩৫৪টির দাম কমেছে এবং ১১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ব্যাপক দরপতনের ফলে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১০৭ পয়েন্ট বা ২ শতাংশের বেশি কমে দাঁড়িয়েছে ৫,১১২ পয়েন্টে।

এছাড়া, ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১৮ পয়েন্ট কমে ১,০৪১ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক ৩৫ পয়েন্ট কমে ১,৯৪৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে—যা প্রায় ২ শতাংশ পতনের ইঙ্গিত দেয়।

লেনদেনের পরিমাণেও বড় ধরনের পতন হয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫১২ কোটি টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৬২৬ কোটি টাকার তুলনায় ১১৪ কোটি টাকা কম।

অন্যদিকে, সিএসইতেও একই চিত্র দেখা গেছে। এক্সচেঞ্জটির সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২২৮ পয়েন্ট বা প্রায় ২ শতাংশ কমে ১৪,৪৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ১২৮ পয়েন্ট কমে ৮,৮৫৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে।

দিন শেষে সিএসইতে ১৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৩৩টির দাম বেড়েছে, ১৪৮টির কমেছে এবং ৯টির অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে মোট ৪৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বিনিয়োগকারীদের বিক্রয়চাপ এবং আস্থার ঘাটতির কারণে এ ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাজারে আরও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।