বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

শাকসু নির্বাচন স্থগিতের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে চেম্বার আদালতে আবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আবেদনে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বাতিল বা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এই আবেদন করা হয়। সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাদ্দাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নির্ধারিত সময়েই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে সোমবার দুপুরে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম ও ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু ও অ্যাডভোকেট মো. সাদ্দাম হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, নির্বাচন কমিশন শাকসু নির্বাচনের যে অনুমোদন দিয়েছিল, হাইকোর্ট তা চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন। ফলে আগামীকাল শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। চার সপ্তাহের মধ্যে যেকোনো দিন নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, শাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভসহ তিন শিক্ষার্থী নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। রিটে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সব ধরনের নির্বাচন বন্ধ রাখতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা থাকায় শাকসু নির্বাচন আইনসংগত নয়।

এর আগে শাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রচারণার সময় ১২ ঘণ্টা বাড়ানো হয়। গত ১৫ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন শাকসু নির্বাচন আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার পর প্রার্থীদের সুবিধার্থে প্রচারণার শেষ সময় বাড়িয়ে ১৮ জানুয়ারি রাত ৯টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। তবে হাইকোর্টের আদেশে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়।