বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

শবে মেরাজে নবীদের সঙ্গে নামাজে ইমামতি: মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বের তাৎপর্য

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

ঢাকা: শবে মেরাজে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মসজিদুল আকসায় পূর্ববর্তী নবীদের সঙ্গে নামাজে ইমামতি করেছিলেন। এই ইমামতির ঘটনাটি শুধু অলৌকিক নয়, বরং ইসলামের বার্তা, নেতৃত্ব ও সার্বজনীনতার শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়।

হাদিস ও ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, এক রাতে মক্কায় মহানবী (সা.) ঘুমন্ত অবস্থায় ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে মসজিদে হারামে যান। সেখানে আশ্চর্যজনক বাহন বুরাক-এ চড়ে তিনি পৌঁছান জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা-য়। সেখানে তিনি হজরত ইব্রাহিম, মুসা, ঈসা (আলাইহিমুস সালাম)সহ বহু নবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং নিজে ইমামতি করে নামাজ আদায় করেন।

নামাজ শেষে মহানবীকে দুধ, পানি ও মদ দিয়ে পরীক্ষিত করা হয়, এবং তিনি দুধ পান করেন, যা নির্দেশ করে তিনি ও তাঁর উম্মত সঠিক পথ বেছে নিয়েছেন। এরপর শুরু হয় সপ্তম আসমানে মেরাজের যাত্রা, যেখানে তিনি নবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আল্লাহর নবুয়তের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন।

ইসলামী গবেষকরা বলেন, নবীদের সঙ্গে ইমামতি প্রদর্শন নবুয়তের ধারাবাহিকতা, ইসলামের পূর্ণতা এবং জেরুজালেমের সার্বজনীন পবিত্রতার পরিচায়ক। এই ঘটনার মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, ইসলাম কেবল আরবদের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত ধর্ম

মেরাজের এই ঘটনাই মুসলমানদের কাছে আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণার বার্তা হিসেবে রয়েছে—ইসলাম কোনো বিচ্ছিন্ন মতবাদ নয়, বরং সব আসমান ধর্মের চূড়ান্ত ও সংরক্ষিত রূপ