বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

‘রোহিত এভাবে বুমরাহকে ব্যবহার করতো না’

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর ভারতের পারফরম্যান্স নিয়ে কাটাছেঁড়া চলছে। সূর্যকুমার যাদবের অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ।

তার মতে, প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সাত থেকে পনেরো ওভারের মধ্যেই ম্যাচ হেরে যায় ভারত। জশপ্রীত বুমরাহকে ঠিকমতো ব্যবহার করতে না পারার ফলে এই হাল হয়েছে। কাইফের কথায়, রোহিত শর্মা অধিনায়ক থাকলে বুমরাহকে এভাবে ব্যবহার করতেন না।

কাইফ তার ইউটিউব চ্যানেলে বলেন, “সপ্তম থেকে পনেরো ওভারের মধ্যে আমরা হেরে গিয়েছি। বুমরাহর দুই ওভার আগেই করিয়ে ফেলা হয়েছিল। ডেথ ওভারের জন্য আরও দু’ওভার রেখে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রোহিত শর্মা কখনোই এভাবে ওকে ব্যবহার করত না।”

পাওয়ার প্লেতে দুই ওভার বল করেন ৩২ বছর বয়সী এই পেসার। কুইন্টন ডি কক এবং রায়ান রিকেলটনের উইকেট শিকার তিনি। অন্য প্রান্তে আর্শদীপ সিং ফেরান এইডেন মার্করামকে। ২০ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর উইকেটে থিতু হয়ে যান ডেভিড মিলার এবং ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। তাদের জুটিতে ওঠে ৫১ বলে ৯৭ রান। শক্তপোক্ত জায়গায় পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সাবেক ক্রিকেটারের কথায়, মাঝের একটা ওভারে বুমরাহর আসা উচিত ছিল।

কাইফের সংযোজন, “পাওয়ার প্লের পর মিডল ওভারে উইকেট তোলার জন্য রোহিত আক্রমণে আনত বুমরাহকে। কিন্তু এক্ষেত্রে বুমরাহ অনেকটা পরে আক্রমণে এসেছে। ফলে ওর দুই স্পেলের মধ্যে অনেকটা বিরতি পড়ে গিয়েছে। এই দলে বুমরাহর চেয়ে বড় ম্যাচ উইনার আর কেউ নেই। ওকে পাওয়ারপ্লেতে একটা ওভার বল দেওয়া উচিত ছিল। তারপর ওকে একাদশ বা দ্বাদশ ওভারে বোলিং দিতে হবে।”

বুমরাহর প্রথম স্পেলের পর ৭ থেকে ১৫, এই ৯ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা তোলে ১০৩ রান। অর্থাৎ ওভারপ্রতি প্রায় সাড়ে ১১ করে রান ওঠে এবং ওখানেই ম্যাচটা হেরে যায় ভারত। বুমরাহ পাওয়ারপ্লের পর বল করতে আসেন সেই ১৭ এবং ১৯তম ওভার। সেই দুই ওভারেও দেন মাত্র ৮ রান। সেই সঙ্গে করবিন বশের উইকেট নেন এই পেসার।