বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে ১–২ ডিগ্রি, আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

 

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রাও সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানান, দেশের আবহাওয়া সামান্য পরিবর্তনের সঙ্গে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তিনি জানান, দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে কোথাও কোথাও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। একই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে এবং সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা বিরাজ করতে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে এবং সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের শুরুর দিকে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। আবহাওয়া অফিসের এই পূর্বাভাস অনুযায়ী নাগরিকদের শীতকালীন সতর্কতা অবলম্বন করতে এবং রাতে হঠাৎ শৈত্যপ্রবাহের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।