বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

রমজান আসতেই মৌলভীবাজারে ২০ টাকার কলা ৪০ টাকা

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পবিত্র রমজান মাস ঘনিয়ে আসতেই মৌলভীবাজারে কলার বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে কলা। কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি হালিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা, এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

রোজা মাস আসার কয়েকদিন আগে থেকেই কলার সংকট দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে করে ক্রেতারা কম দামের কলা বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে।

কলা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে কলার দাম দ্বিগুন হয়েছে। এ জন্য বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

বুধবার রাতে জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে কয়েকদিন আগে যে কলা ২০-২৫ টাকা হালি বিক্রি ছিল। বর্তমানে একই কলার হালি ৪০-৪৫ টাকা বিক্রি হয়েছে। গুদামে কলা রেখে চাহিদার তুলনায় সংকট দেখানো হচ্ছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ক্রেতাদের।

রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের নজমুল ইসলাম কলা কিনতে এসে বলেন, আমার পরিবারে দুধ কলা ছাড়া চলে না। এজন্য অন্যকিছু বাদ দিয়ে হলেও কলা নিতে হয়। তবে দুঃখের বিষয় হলো যে কলা সবসময় ২০-৩০ টাকা হালি দিয়ে নেই সেই একই কলা ৪০-৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।

কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর বাজারের কলার ব্যবসা করছেন মকুল মিয়া বলেন, রমজান আসলে কলার দাম বাড়ে। আমাদেরও বিভিন্ন এলাকা বা পাইকারি বাজার থেকে দাম দিয়ে আনতে হয়।

কবির মিয়া নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানে ছোট কলা খুব কম চলে। এজন্য বড় কলা আনতে হয়। কিন্তু এখন বড় কলার দাম বেড়ে গেছে। এক পিস কলা ৮ টাকা করে কিনে ১০ টাকায় বিক্রি করছি। এই দামের নিচে বিক্রি করলে আমাদের কোনোভাবে পোষায় না।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী ন্যায্য দামে প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান চলমান আছে।