রংপুর বিভাগের পাঁচটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণের লক্ষ্যে গেজেট প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে রংপুরের তাজহাট জমিদার বাড়িতে অনুষ্ঠিত ‘রংপুর জাদুঘর: বাস্তবতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
সাবিনা আলম বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান অনুসন্ধান, জরিপ ও খনন কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর মাধ্যমে নতুন প্রত্নস্থলের প্রতিবেদন প্রস্তুত, জমি-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রত্ননিদর্শন সংরক্ষণের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, রংপুর বিভাগে বর্তমানে পাঁচটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণের জন্য গেজেট প্রক্রিয়া চলছে। পর্যায়ক্রমে আরও প্রত্নস্থল এই তালিকায় যুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরও বলেন, রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এ অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান ও সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে। রংপুর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শনগুলো পর্যায়ক্রমে সংরক্ষণের আওতায় আনা হবে।
সেমিনারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খৃষ্টফার হিমেল রিছিল সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশরাফুল ইসলাম, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের রাজশাহী আঞ্চলিক পরিচালক একেএম সাইফুর রহমান এবং রংপুর আঞ্চলিক পরিচালক ড. আহমেদ আব্দুল্লাহ।
অনুষ্ঠানে রংপুর অঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। সেমিনারে দর্শনার্থী, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।