বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

মিয়ানমার থেকে আদা-মরিচ আমদানির চেষ্টা করছি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, বাজারে কোনো পণ্যের যেন ঘাটতি না থাকে সেজন্য আমরা কাজ করছি। মিয়ানমার থেকে আদা-মরিচ আমদানির চেষ্টা করছি। ১২ মাসে ভোক্তার কোনো পণ্যের যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সেই চেষ্টা করছি।

হসানুল ইসলাম টিটু বলেন, রিজার্ভ নিয়ে প্রতিদিন প্রশ্ন করা হয় তিন মাসের আছে, সেটা‌ ৫ মাসের হলে ভালো হতো। রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারে এমনি এমনি আসেনি। কারণ, ১৪ বিলিয়ন ডলার সার ও জ্বালানি তেল আমদানিতে বাড়তি খরচ দিতে হয়েছে। দেশে রেমিট্যান্স বেড়েছে। সামনে আরও ভালো সময় আছে।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, রিজার্ভ নিয়ে প্রতিদিন প্রশ্ন করা হয় তিন মাসের আছে, সেটা‌ ৫ মাসের হলে ভালো হতো। রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারে এমনি এমনি আসেনি। কারণ, ১৪ বিলিয়ন ডলার সার ও জ্বালানি তেল আমদানিতে বাড়তি খরচ দিতে হয়েছে। দেশে রেমিট্যান্স বেড়েছে। সামনে আরও ভালো সময় আছে।

কৃষি অর্থনীতিবিদদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদন খরচ কীভাবে কমানো যায় সেটা নিয়ে কৃষি গবেষকদের ভাবতে হবে। পচনশীল পণ্য কীভাবে কমানোর যায়, সেটি নিয়েও‌ তাদের কাজ করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, আমার এলাকায় এখন তিন ফসল হয়। ধান উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। সবার প্রচেষ্টায় কৃষিকে আমরা ফোকাস করছি। গত চার মাসে ১ কোটি পরিবারের মধ্যে প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্য বিতরণ করেছি। স্থায়ী দোকানে চলতি মাসে সারা দেশে ১০ হাজার ডিলারকে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য দেব।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন মাসে কত প্রয়োজন, এটা নির্ণয় করতে হবে। দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে, মানুষের পকেটে টাকা আছে। গ্রামে মাছ ও মাংস পাওয়া যেত না। পকেটে টাকা না থাকলে লাখ টাকা দিয়ে কোরবানি দিত না। আগে বড় বোয়াল সারাদিন বিক্রি হতো না, এখন তিনজন ক্রেতা দাঁড়িয়ে থাকে। গ্রামের মানুষের সক্ষমতা বেড়েছে।