কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট-এ পশু আসতে শুরু করলেও এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি বেচাকেনা। বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকায় বিক্রি শুরু হয়নি প্রত্যাশিত গতিতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাটে এখনও অনেক স্থানে বাঁশ-খুঁটি বসানোর কাজ চলছে। গরু-মহিষের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। বেশিরভাগ বিক্রেতাই পশুকে খাওয়ানো ও বিশ্রামের মধ্যেই সময় পার করছেন।
কুষ্টিয়া থেকে আসা বিক্রেতা রমিজ উদ্দিন জানান, তিনি দুইটি গরু নিয়ে এসেছেন এবং প্রায় ১০ লাখ টাকা দাম চাচ্ছেন। তবে এখনো ক্রেতারা কেবল বাজার পরিস্থিতি যাচাই করছেন।
আরেক বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, সকালে কয়েকটি গরু এনেছেন এবং আরও গরু আসার পথে রয়েছে। তবে এখনো হাটে কাঙ্ক্ষিত ভিড় শুরু হয়নি।
মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিক্রেতারাও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তারা বলছেন, পরিবহন ও খাবারের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার দাম কিছুটা বেশি হলেও ক্রেতারা এখনো অপেক্ষায় আছেন।
তবে হাটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে কেরানীগঞ্জের এক বিশাল মহিষ। প্রায় এক টন ওজনের এই মহিষটি প্রায় ২৫ লাখ টাকা দাম হাঁকা হচ্ছে। মহিষটির সঙ্গে বিশেষ অফার হিসেবে একটি দুই মণ ওজনের গরু ‘ফ্রি’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিক্রেতা মজিবুর রহমান।
তিনি জানান, ক্রেতাকে আলাদা করে গরু কিনতে হবে না—মহিষ কিনলেই গরুটি সঙ্গে দেওয়া হবে। এই অফার ঘিরে হাটে বাড়তি কৌতূহল তৈরি হলেও এখনো বড় কোনো বিক্রি হয়নি।
বিক্রেতারা আশা করছেন, ঈদের সময় ঘনিয়ে এলে হাটে ক্রেতার সংখ্যা বাড়বে এবং বেচাকেনাও জমে উঠবে।