শনিবার , ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ভেনিজুয়েলায় সহিংসতা ও নিপীড়ন বন্ধের দাবি

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০২৪

ভেনিজুয়েলার বিরোধী প্রার্থী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি সহিংসতা ও নিপীড়ন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। দেশটির গত ২৮ জুলাইয়ের বিতর্কিত নির্বাচন নিয়ে আসন্ন রায়ের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না সর্বোচ্চ আদালতের এ কথার কয়েকঘন্টা পর শনিবার বিরোধী প্রার্থী এ আহ্বান জানিয়েছেন। নির্বাচনে ব্যাপক ব্যবধানে জয়ের দাবি করা বিরোধী প্রার্থী এডমান্ডো গঞ্জালেজ উরুটিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে রাজনৈতিক মত প্রকাশের সুযোগ দেয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, আমি ভেনিজুয়েলার সকলের পক্ষ থেকে সহিংসতা ও নিপীড়ন বন্ধ এবং অবিলম্বে সকর বন্দীকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। এ সময়ে তিনি নির্বাচনোত্তর সহিসংতার কথা তুলে ধরেন। এ সহিংসতায় ২৪ জন নিহত এবং দুই হাজারেরও বেশি লোককে আটক করা হয়েছে। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে উরুটিয়াকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এদিকে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, নির্বাচন নিয়ে যে রায় আসছে সেটিই চূড়ান্ত। এর পরপরই উরুটিয়া ভিডিওটি প্রকাশ করলেন।

উল্লেখ্য, ভেনিজুয়েলায় ২৮ জুলাইয়ের নির্বাচনে নিকোলাস মাদুরো তৃতীয় বারের মতো দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। মাদুরো ৫১ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পেয়ে তার প্রতিপক্ষ এডমান্ডো গঞ্জালেজকে হারিয়েছেন বলে দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে। গঞ্জালেজ পেয়েছেন ৪৪.২ শতাংশ ভোট। তবে বিরোধী দল মি. মাদুরোর বিজয়ের ঘোষণাকে জালিয়াতি বলে বর্ণনা করেছে। তারা বলছে, বিরোধী প্রার্থী এডমান্ডো গঞ্জালেজ অন্তত ৭৩ দশমিক দুই শতাংশ ভোট পেয়ে নিশ্চিতভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এ প্রেক্ষিতে বিতর্কিত নির্বাচন ও ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে রাস্তায় নেমে আসে বিক্ষোভকারীরা। এ সময়ে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।নিকোলাস মাদুরো নিজেকে প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী দাবির পরদিনই ভেনিজুয়েলার রাজধানীতে এই বিক্ষোভ শুরু হয়।