শনিবার , ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ভারত নয়, শাহরুখকে নম্র থাকা শিখিয়েছে আমেরিকা

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

ভারত নয়, শাহরুখকে নম্র থাকা শিখিয়েছে আমেরিকা
২০২৫-এর মেট গালায় রাজকীয় অভিষেক হল শাহরুখ খানের। ডিজাইনার সব্যসাচীর বিশেষ পোশাকে যখন ‘কিং খান’ লাল গালিচায় পা রাখলেন, তখন সারা গর্বিত হয় সারা বলিউড ও ভারত। কিন্তু সেই গৌরবের মধ্যে বিপত্তি। অনুষ্ঠানের সঞ্চালকরা কিং খানের মর্যাদা বোঝেনই না— উঠল এমন দাবি। আর এতে রেগে যান শাহরুখভক্তরা।

মেট গালায় শাহরুখকে চিনতে পারেনি সঞ্চালিকা। দাঁড়িয়ে সরাসরি কিং খানের পরিচয় জিজ্ঞেস করেন। ঘটনার ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন ডিজাইনার সব্যসাচী মুখার্জি। তিনি সকলের সামনে স্পষ্ট করে বললেন, পৃথিবীর সবথেকে বড় ছবি-তারকা তিনি।

এ ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে শাহরুখ ও ভারতের জন্য অপমানজনক বলে দাবি করতে শুরু করেন নেটিজেনরা। কেউ আবার মনে করেন, এই ধরনের আচরণ প্রমাণ করে, কতটা পক্ষপাতদুষ্ট বিদেশি মিডিয়া।

এমন আবহে ভাইরাল শাহরুখের এক পুরনো বক্তব্য। সেটি ২০১২ সালে ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে দেওয়া তার বিখ্যাত বক্তৃতা। তখন বলেছিলেন, আমি যখন নিজেকে একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে শুরু করি, বিশাল কিছু ভাবতে শুরু করি, তখনই আমেরিকায় যাই। ওখানে গেলেই ফের মাটিতে নেমে আসি।

কারণ হিসেবে শাহরুখ বলেন, ‘আমাকে প্রায়ই আমেরিকান এয়ারপোর্টে আটকানো হয়, ঘণ্টা দেড়েক বসিয়ে রাখা হয়—এতে আমার সব স্টারডম-টারদম একেবারে গায়েব হয়ে যায়!’

এখানেই না থেমে শাহরুখ আরও বলেন— ‘তবে হেরে যাওয়ার বান্দা আমি নই। সুযোগ পেলেই ওদেরও টেক্কা মারি। যেমন ধরুন, সেখানে তারা আমাকে যখন জিজ্ঞেস করে—‘তোমার উচ্চতা কত?’ বেমালুম মিথ্যা কথা আমি বলি—‘পাঁচ ফুট দশ ইঞ্চি।’ যাই হোক, এবারে ভেবে রেখেছি পরেরবার আমেরিকার বিমানবন্দরে ওরা যখন জিজ্ঞেস করবে আমাকে—‘তোমার গায়ের রঙ কী?’ আমি বলব—‘ধবধবে ফর্সা!’