বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বিসিবি ও ক্লাব ক্রিকেট নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বৈঠকের অপেক্ষায় সংগঠকরা

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গত বছরের নভেম্বরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিবিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন। সরকারি হস্তক্ষেপ ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচনের কয়েকদিন আগেই ১৬টি ক্লাব বয়কটের ঘোষণা দেয়। যথারীতি নির্বাচনের পর বিসিবির নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হলেও থমকে ছিল ক্লাব ক্রিকেটা।

ক্লাবগুলোকে মাঠে ফেরানো নিয়ে গেল কয়েকমাস ধরে অস্থিরতা লেগেই আছে। বর্তমান বিসিবির অধীনে সব ধরনের ঘরোয়া ক্রিকেট বয়কট করে আসছে ঢাকার ৪৫টি ক্লাব। এরমধ্যে গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যেখানে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। স্বাভাবিকভাবে ক্রীড়াঙ্গনও পেয়েছে নতুন অভিবাবক। বিএনপি সরকারের যুব এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার দিনেই নড়েচড়ে বসার কথা জানিয়েছিলেন ঢাকার ক্লাব কর্তারা।

এ ছাড়া বিসিবির নির্বাচন ইস্যু নিয়েও আমিনুল হকের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ঢাকার ক্লাব সংগঠকরা। ঢাকা পোস্টকে ক্রীড়া সংগঠক রফিকুল ইসলাম বাবু বলেছেন, ‘আগামী সোমবারের মধ্যে আমরা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসব। আমরা একটু সময় নিচ্ছি এটা সুন্দরভাবে করার জন্য। আমরা দ্রুতই বসব এই বিষয়টা নিয়ে। এরপর কীভাবে আগাব সেই সিদ্ধান্তও নেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীও জানেন যে আসলে কোন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে এই নির্বাচনটা হয়েছিল। যে প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হয় সেটা সম্পূর্ণ অবৈধ। এটা সবাই জানে, আমরা আশা করছি এই বোর্ড অবৈধ ঘোষিত হবে।’ এর আগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলও বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে উল্লেখ করে আইসিসির বিধান অনুসরণ করে বিষয়টি নিয়ে বসার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে, ক্রীড়া সংগঠক ও বিসিবির সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন আলমগীর বলেছেন, ‘একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কারণ হাইকোর্টে আমাদের পক্ষেই রায় রয়েছে, শুধু স্থগিত করে রাখছে এই আরকি। এখানে আসলে সমঝোতা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই, আমি কোনো সমঝোতার সুযোগ দেখি না। কিছু লোক পরিবর্তন হবে ওই জায়গায় নতুন রিপ্লেসমেন্ট হবে, এগুলো আসলে কাল্পনিক।’

‘জেলা-বিভাগ থেকে যে কাউন্সিলর এসেছে এগুলো তো চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। রিট করা হয়েছে, এগুলো যদি অবৈধ হয়ে যায় তাহলে তো ১০ জন বোর্ড পরিচালকের পদ অবৈধ হয়ে যাবে। তারপর ঢাকার ক্লাবে যেভাবে ভোট হয়েছে। নির্বাচনের দিন উপস্থিত থেকেও আগেরদিন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছে’, আরও যোগ করেন সাবেক এই পরিচালক।