শুক্রবার , ৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

‘বিশ্বাস করতে চাই আলো আসবেই‘

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী সোহানা সাবা। সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছুদিন ধরে রয়েছেন চর্চায়। শুরুটা ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ড নিয়ে। সেখানকার নিয়মিত সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর অভিনেত্রীকে নিয়ে গণমাধ্যমে উঠে আসে দেহব্যবসার চাঞ্চল্যকর খবর। এরপর থেকেই সোহানাকে নিয়ে শোরগোল তৈরি হয় নেটমাধ্যমে।

এদিকে ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ড নিয়ে নেটিজেনদের নজর ছিল সোহানা সাবার ওপর। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে দমানোর সেই গোপন কথাবার্তা ভাইরাল হওয়ার পর আওয়ামীপন্থি শিল্পীদের নিয়ে সর্বমহলে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। এ সমালোচনার মাঝে কেউ কেউ নিজেকে জড়িত নয় বলেও দাবি করেন। আবার তাদের কেউ মোটাদাগে নিশ্চুপ ছিলেন; তাদের একজন অভিনেত্রী সোহানা সাবা।
এবার আলো আসবেই গ্রুপে জড়িত থাকার প্রসঙ্গে সোহানা একরম মুখ খুললেন বলেই বোঝা গেল। সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে লিখলেন চার লাইনের কবিতা। সেখানে ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে জড়িত থাকাটা ‘ভুল’ ছিল বলেই কী দাবি করলেন সোহানা?
দেহব্যবসা’র খবরে ক্ষুব্ধ সোহানা সাবা, দিলেন হুঁশিয়ারি
ভারতে কাজ করতে আমাদের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই: সোহানা সাবা
রিয়াজের ছিল ৮ পরামর্শ, শিল্পীদের চিহ্নিত করা হতো সেই গ্রুপে
আলো আসবেই গ্রুপ কাণ্ড, দু’নৌকায় পা ভাবনার
সেই পোস্টে সোহানা উল্লেখ করেন, ‘ভেবেছিলাম সামনে অন্ধকার ঘন, দেখেছিলাম অশনি সংকেত ও রণ..সমুদয় পালটানো এই উপত্যকায়, নিজেকে ভুল প্রমাণ করে তবুও বিশ্বাস করতে চাই আলো আসবেই।’

সোহানার ওই পোস্টটি নেটিজেনদের অধিকাংশই হাসির প্রতিক্রিয়া জানান। যদিও ওই পোস্টটি লেখার কিছুক্ষণ পরই মন্তব্য ঘর বন্ধ রাখেন অভিনেত্রী।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর লক্ষ্যে তৎকালীন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত এবং সংসদ সদস্য ফেরদৌসের নেতৃত্বে ‘আলো আসবেই’ নামের ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়, যেখানে আওয়ামীপন্থি শিল্পী ও সাংবাদিকেরা যুক্ত ছিলেন।
গ্রুপে ছিলেন- সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, অরুণা বিশ্বাস, ফেরদৌস ছাড়াও ছিলেন রিয়াজ আহমেদ, সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, শমী কায়সারসহ অনেকেই।