বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, র্যাবের অভিযানে ৭২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রবাসী
চট্টগ্রাম মহানগরীর চাঁন্দগাও থানার ধর্ষণ মামলায় এজাহারনামীয় প্রধান আসামিকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছেন র্যাব-৭ চট্টগ্রাম।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৭) চট্টগ্রাম সূত্র জানায়, ভূক্তভোগী ভিকটিম পেশায় একজন টেইলার্সী বিগত কিছুদিন পূর্বে প্রবাসী জনৈক লোকমান হাকিম এর সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় এবং পরিচয় সূত্রে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ২০ নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে মোঃ লোকমান দেশে আসেন এবং ২৪ নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ভিকটিমকে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে নিয়ে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। পরর্বতীতে ভিকটিম তাকে বিবাহের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে লোকমান ভিকটিমকে কোর্ট ম্যারেজের কথা বলে গত ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ইং তারিখে চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক করে এবং সূকৌশলে তার ব্যববহৃত মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। পরর্বতীতে লোকমান তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হতে ভিকটিমের ইমুতে গোপনে ধারণকৃত ভিডিও পাঠিয়ে ১ লাখ টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিবে মর্মে হুমকী প্রদান করে।
র্যাব আরো জানান উক্ত ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে মো. লোকমান হাকিমকে আসামী করে চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৬, তারিখ ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ইং, ধারাঃ- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সং/২৫) এর ৯(খ) তৎসহ ২০১২ সনের পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রন আইনের ৮(১)/৮(২)/৮(৩)।
গ্রেপ্তারকৃত আসামী হলেন, নগরীর কর্নফুলী থানাধীন চরপাথর ঘাটা এলাকার মো. বাদশা মিয়ার পুত্র মো. লোকমান হাকিম (৩২)।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৭) চট্টগ্রামের সহকারি পরিচালক (মিডিয়া) এক প্রেস ব্রিফিং এ গণমাধ্যমকে জানান, সূত্রে বর্ণিত মামলার একমাত্র এজাহারনামীয় প্রধান আসামী লোকমান হাকিম নামের একজনকে গ্রেফতারে করছে র্যাব। চান্দঁগাও থানার চাঞ্চল্যকর ধর্ষনের ঘটনাটি র্যাবের নজরে আসলে। র্যাব আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে এবং নজরদারীর একর্পযায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে (৭ডিসেম্বর) রবিবার আনুমানিক রাত আটটার দিকে অভিযান পরিচালনা করে নগরীর বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্য চান্দঁগাও থানায় হস্তান্তর করা হয়।