বৃহস্পতিবার , ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ৯ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবনের শঙ্কা

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরও বাড়লে তিস্তার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল ৫২ দশমিক ১৪ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। ফলে বিপৎসীমার মাত্র এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

ইতোমধ্যে তিস্তার পানি বেড়ে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। একইভাবে জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকাতেও পানি প্রবেশের খবর পাওয়া গেছে।

ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। নদীর পানি আরও বাড়তে থাকলে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, বুধবার সকাল ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডালিয়া ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেলে তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়তে পারে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার পাশাপাশি সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তুতি জোরদার করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।