বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বাহারি ফুল-ঘুরিতে রঙিন অফিস, কীবোর্ডে আটকা কর্মীদের ভিন্ন এক কর্মদিবস

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মনিটরের সামনে ঝুঁকে থাকা, কানে হেডফোন, চোখে স্ক্রিনের আলো— কর্পোরেট অফিসের চেনা দৃশ্যটা যেন হঠাৎ বদলে গেল। স্ক্রিনের আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে একসঙ্গে উৎসবে মেতেছেন সবাই। বাহারি কাগুজে ফুল, রঙিন ঘুরি আর ঝালরে সেজে উঠেছে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মীর তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বিটোপিয়া গ্রুপের কর্পোরেট অফিস।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রতি বছরের মতো এবারও বসন্তকে বরণ করে নিতে রাজধানীতে বিটোপিয়া করপোরেট অফিসে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে বসন্ত উৎসবের আমেজে মেতে ওঠে পুরো বিটোপিয়া পরিবার। উৎসব উপলক্ষে সকাল থেকেই কর্মীদের প্রাণচাঞ্চল্যে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠানটির করপোরেট অফিস।

বিটোপিয়া অফিস ঘুরে দেখা যায়, যে ফ্লোরে প্রতিদিন ডেডলাইন আর টার্গেটের চাপের মগ্ন থাকেন অফিসের প্রতিটি কর্মী, সেখানেই এদিন ছড়িয়ে পড়ে বসন্তের আবহ। ডেস্কের ওপর ল্যাপটপ আর ফাইলের পাশে জায়গা নেয় হলুদ, গোলাপি, বেগুনি সাজসজ্জা। ছাদ থেকে ঝুলছে ঘুরি, দেয়ালে রঙিন নকশা। এতোকিছুর পরও কাজ থেমে থাকেনি, তবে তার ভেতরেই যুক্ত হয়েছে উৎসবের ছোঁয়া।

প্রতিষ্ঠানটির সিইও মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, আমরা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করি, কিন্তু মানুষই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সারাবছর যে টিম নিরলস পরিশ্রম করে, তাদের জন্য এমন ছোট আয়োজন খুবই প্রয়োজন। এতে সম্পর্ক আরও মজবুত হয়, কাজের প্রতি আগ্রহও বাড়ে।

তিনি আরও বলেন, বিটোপিয়া গ্রুপে আমরা চেষ্টা করি এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে, যেখানে কাজের পাশাপাশি মানবিক সংযোগটাও গুরুত্ব পায়। উৎসব মানে শুধু সাজসজ্জা নয়, একসঙ্গে থাকা এবং একে অপরকে নতুন করে চেনা।

কর্তৃপক্ষ জানায়, কর্মীদের মানসিক চাপ কমানো, টিম স্পিরিট জোরদার করা এবং ইতিবাচক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও কর্মীদের সম্পৃক্ততা ও আন্তরিক অংশগ্রহণে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।