বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশে নতুন করে ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি, খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ – বেসরকারিভাবে ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানি করার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এই সিদ্ধান্তে খুশি হয়েছেন ভারতীয় মিল মালিক এবং রপ্তানিকারকরা। তারা জানিয়েছেন, নতুন আমদানির মাধ্যমে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে রপ্তানির নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

বার্তাসংস্থা পিটিআই জানায়, বাংলাদেশ সরকার ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মিল মালিকরা বলেন, ২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম চাল আমদানির কথা জানিয়েছিল। নতুন দুই লাখ টন চাল সেই পরিকল্পনার সংযোজন। বন্যায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা করতে এবং মজুদ পুনঃস্থাপন করতে বাংলাদেশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানি করবে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারি ও চার লাখ টন সরকারিভাবে আনা হবে।

ভারতীয় চাল রপ্তানি ফেডারেশনের (IREF) সভাপতি প্রেম গার্গ জানিয়েছেন, “ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশ ভারতের চালের নিয়মিত ক্রেতা। এর ফলে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন রপ্তানির সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ সবসময় কাছাকাছি এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে দাম কম হওয়ায় এটি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক।”

জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিলের পরিচালক রাহুল খৈতান বলেন, অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপের কারণে বাংলাদেশ বেসরকারি আমদানিকারকদের মাধ্যমে নতুন ২ লাখ টন চাল আমদানি অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে ভারতীয় চালকল মালিকদের জন্য বাংলাদেশে বড় রপ্তানি সম্ভাবনা তৈরি হবে।

বর্তমান বাজারে দেখা গেছে, ভারতের সাদা চাল প্রতি টনের দাম ৩৫১–৩৬০ ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম ৩৯৫ ডলার। এতে ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে সাশ্রয়ী চাল রপ্তানিকারক হিসেবে স্থান ধরে রেখেছে।