বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বহিষ্কৃত নেতার সরকারি জমি দখল, গুঁড়িয়ে দিলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গত (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে গভীর রাতে জিরো পয়েন্ট এলাকায় সরকারি সম্পত্তি দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করে কুয়াকাটা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য মো. মন্নান হাওলাদার। বিষয়টি নজরে আসলে স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে এটিকে অপসারণ করা হয়।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে এই দোকান ঘরটি অপসারণ করা হয়। এছাড়া ভবিষ্যতে এমন কোন কর্মকাণ্ডে কেউ জরালে তাদের বিরুদ্ধে বিএনপি একই উদ্যোগ নেবে বলেও ঘোষণা দেন তারা।

জানা যায়, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই সেদিন মধ্যে রাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি সম্পত্তি দখল করে এ ঘরটি নির্মাণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয় সচেতন মহলে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি লেখালেখি হলে নজরে আসে পটুয়াখালী-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেনের। তার নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াকাটা পৌর বিএনপিকে সেই অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় অভিযানের নেতৃত্ব দেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আ. আজিজ মুসুল্লি, সিনিয়র সহ সভাপতি জসিম উদ্দিন বাবুল ভুঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান। স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. আলী হায়দার শেখ, ছাত্রদলের সদস্য সচিব নেছার উদ্দিন হাওলাদার সহ আরো অনেকে।

এ বিষয় কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আজিজ মুসুল্লি বলেন, প্রথমত যে এখানে দোকান ঘড়টি নির্মাণ করেছে, সে দলের কেউ নয়। তাকে ইতোপূর্বে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের নাম বিক্রি করে কেউ কোথাও কোন ধরনের অপকর্ম করতে পারবে না। ভবিষ্যতেও যদি এমন কোন দুঃসাহস কেউ দেখানোর চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধেও আমাদের একই অভিযান চলমান থাকবে।

দোকান ঘরটি অপসারণের সময় ওখানে উপস্থিত ছিলেন অভিযুক্ত বহিষ্কৃত বিএনপি কর্মী মো. মন্নান হাওলাদার। তবে এ বিষয় কোনো কথা বলতে রাজি হননি তিনি।