বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৪ কর্মচারী ও ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের চার কর্মচারী এবং তাদের চাকরি স্থায়ীকরণে সহায়তাকারী চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে, অভিযোগভুক্ত ভুয়া শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের।

মূল তথ্য:

  • বাদী: দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন
  • মামলার বিষয় নিশ্চিত করেছেন: দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ
  • অভিযুক্ত বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্মচারী:
    • ড্রাইভার: মো. খালেদ মোশাররফ রিয়াজ
    • সুইপার: স্বপন সরকার
    • দারোয়ান: মোহাম্মদ ফরিদ আহমদ
    • দারোয়ান: মো. আলমগীর হোসাইন
  • অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা:
    • লক্ষ্মীপুর জেলার সাবেক এসআই মো. রফিক
    • চট্টগ্রাম জেলা বিশেষ শাখার সাবেক এএসআই মো. মনির হোসেন
    • খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সাবেক এসআই (নিরস্ত্র) মো. আব্দুল বাতেন
    • গাইবান্ধা জেলা বিশেষ শাখার সাবেক ডিআইও মো. আতিকুর রহমান

অভিযোগের সারসংক্ষেপ:

  1. ভুয়া ৮ম শ্রেণি পাশের প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ।
  2. চাকরি স্থায়ী করার সময় পুলিশ কর্মকর্তারা দায়িত্বে অবহেলা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া সনদকে সঠিক বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন।
  3. এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা বাবদ কোটি টাকার অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে।
    • মো. খালেদ রিয়াজ: ২৩,৬২,১৪৯ টাকা ৮০ পয়সা
    • অপর তিনজন কর্মচারী: প্রত্যেকে ২১,৩০,৯৫৮ টাকা
  4. মামলায় উল্লেখিত অপরাধ: প্রতারণা, জাল দলিল ব্যবহার, সরকারি অর্থ আত্মসাত, দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায়।

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। নতুন তথ্য বা অন্য সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনি চাইলে আমি এটি সংক্ষিপ্ত ও সহজভাবে পাঠযোগ্য হাইলাইট হিসেবে সাজিয়ে দিতে পারি, যা সংবাদপত্র বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহার করা যাবে।