দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের চার কর্মচারী এবং তাদের চাকরি স্থায়ীকরণে সহায়তাকারী চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে, অভিযোগভুক্ত ভুয়া শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের।
মূল তথ্য:
- বাদী: দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন
- মামলার বিষয় নিশ্চিত করেছেন: দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ
- অভিযুক্ত বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্মচারী:
- ড্রাইভার: মো. খালেদ মোশাররফ রিয়াজ
- সুইপার: স্বপন সরকার
- দারোয়ান: মোহাম্মদ ফরিদ আহমদ
- দারোয়ান: মো. আলমগীর হোসাইন
- অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা:
- লক্ষ্মীপুর জেলার সাবেক এসআই মো. রফিক
- চট্টগ্রাম জেলা বিশেষ শাখার সাবেক এএসআই মো. মনির হোসেন
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সাবেক এসআই (নিরস্ত্র) মো. আব্দুল বাতেন
- গাইবান্ধা জেলা বিশেষ শাখার সাবেক ডিআইও মো. আতিকুর রহমান
অভিযোগের সারসংক্ষেপ:
- ভুয়া ৮ম শ্রেণি পাশের প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ।
- চাকরি স্থায়ী করার সময় পুলিশ কর্মকর্তারা দায়িত্বে অবহেলা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া সনদকে সঠিক বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন।
- এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা বাবদ কোটি টাকার অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে।
- মো. খালেদ রিয়াজ: ২৩,৬২,১৪৯ টাকা ৮০ পয়সা
- অপর তিনজন কর্মচারী: প্রত্যেকে ২১,৩০,৯৫৮ টাকা
- মামলায় উল্লেখিত অপরাধ: প্রতারণা, জাল দলিল ব্যবহার, সরকারি অর্থ আত্মসাত, দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায়।
মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। নতুন তথ্য বা অন্য সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনি চাইলে আমি এটি সংক্ষিপ্ত ও সহজভাবে পাঠযোগ্য হাইলাইট হিসেবে সাজিয়ে দিতে পারি, যা সংবাদপত্র বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহার করা যাবে।