বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অস্বীকার, গণমাধ্যমকে ক্ষমা চাইতে বললেন মামুনুল হক

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শোকজ নোটিশ পেয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক। তিনি দাবি করেছেন, তিনি কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাননি, বরং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত তৈরি করছিলেন, যা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়।

অভিযোগ ও প্রতিবাদ

  • বুধবার (১৪ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সমন্বয়ক হাসান জুনাইদ স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ১৩ জানুয়ারি ঢাকা পোস্ট-এ প্রকাশিত “আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ইসির সামনেই ভোট চাইলেন মামুনুল হক” শিরোনামের সংবাদটি তথ্যগতভাবে সঠিক নয়

  • সংবাদে দাবি করা হয়েছে, তিনি সংসদ নির্বাচনের কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন। কিন্তু খেলাফত মজলিসের বক্তব্য, ওই সময়ে তিনি কেবল গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, যা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির আওতায় আসে না।

  • দলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে সংবাদের বিভ্রান্তিকর অংশ সংশোধন ও দুঃখ প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।

শোকজ নোটিশের বিস্তারিত

  • ১৪ জানুয়ারি ঢাকা-১৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী স্বাক্ষরিত চিঠিতে মামুনুল হককে শোকজ করা হয়।

  • অভিযোগে বলা হয়, ১৩ জানুয়ারি বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে লিফলেট বিতরণ করে তিনি সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি, ২০২৫-এর বিধি ১২(১) লঙ্ঘন করেছেন।

  • নোটিশে আগামী ১৭ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গণমাধ্যমের পর্যবেক্ষণ

  • ১৩ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মামুনুল হক দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে প্রচারণা চালান।

  • সাধারণ জনগণের সঙ্গে হাত মেলানো, দোয়া ও ভোট চাওয়া, এবং লিফলেট বিতরণ ভিডিওতে ধরা পড়ে।

  • নির্বাচনী আচরণবিধি ২০২৫-এর বিধি ৩ ও ১৮ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে নির্বাচনী প্রচারণা করা নিষিদ্ধ।

  • গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের যে আইন ও বিধি প্রযোজ্য হবে, গণভোটের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য।