বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

প্রথম স্বামীর মারধরে শয্যাশায়ী, দ্বিতীয় বিয়েও ভাঙল অভিনেত্রীর

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪

চোখে স্বপ্ন ছিল অনেক। স্বামী-সন্তান নিয়ে সংসার করবেন, ব্যক্তিগত জীবনে সুখী হবেন- এমনটাই তো ভেবেছিলেন অভিনেত্রী দলজিৎ কৌর। কিন্তু পরপর দুই সংসার ভেঙে সেই স্বপ্ন যেন রীতিমতো দুঃস্বপ্নে পরিণিত হয়েছে অভিনেত্রীর। 

প্রথম সংসার ভাঙনের পর ২০২৩ সালে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেন মুম্বাইয়ের ছোট পর্দার অভিনেত্রী দলজিৎ। লন্ডনের ব্যবসায়ী, কেনিয়াবাসী নিখিল প্যাটেলকে বিয়ে করেন তিনি। নিজের সন্তান, সৎ সন্তানদের নিয়ে এলাহি আয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠান সেরেছিলেন এই জুটি।

অভিনেত্রীর প্রথম সংসারে এক ছেলে ছিল। যার বয়স ১৩ বছর। অন্যদিকে নিখিলের আগের পক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে দু’টি মেয়ে রয়েছে। একজনের বয়স ১৩৷ অন্যজন ৮ বছরের।

কারণ হিসেবে সম্প্রতি অভিনেত্রী দাবি করেন, দ্বিতীয় স্বামী বাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছে। এরপরই বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন নিখিল। অভিনেত্রীর স্বামী বলেন, ‘এই বছরের জানুয়ারিতে, দলজিৎ তার ছেলে জেডনের সঙ্গে কেনিয়া ছেড়ে ভারতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার ফলে শেষ পর্যন্ত আমাদের বিচ্ছেদ ঘটে। আমরা দু’জনেই বুঝতে পেরেছিলাম আমাদের পরিবারের ভিত্তি ততটাও শক্তিশালী নয় যতটা আমরা আশা করেছিলাম।’

দলজিৎ কেনিয়ার জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছিল না। ভারতে তাঁর কাজ এবং জীবনকে মিস করছিল। এর ফলে জটিলতাগুলি ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ওঠে- যোগ করেন নিখিল।

কারণ হিসেবে সম্প্রতি অভিনেত্রী দাবি করেন, দ্বিতীয় স্বামী বাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছে। এরপরই বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন নিখিল। অভিনেত্রীর স্বামী বলেন, ‘এই বছরের জানুয়ারিতে, দলজিৎ তার ছেলে জেডনের সঙ্গে কেনিয়া ছেড়ে ভারতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার ফলে শেষ পর্যন্ত আমাদের বিচ্ছেদ ঘটে। আমরা দু’জনেই বুঝতে পেরেছিলাম আমাদের পরিবারের ভিত্তি ততটাও শক্তিশালী নয় যতটা আমরা আশা করেছিলাম।’

দলজিৎ কেনিয়ার জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছিল না। ভারতে তাঁর কাজ এবং জীবনকে মিস করছিল। এর ফলে জটিলতাগুলি ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ওঠে- যোগ করেন নিখিল।

কারণ হিসেবে সম্প্রতি অভিনেত্রী দাবি করেন, দ্বিতীয় স্বামী বাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছে। এরপরই বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন নিখিল। অভিনেত্রীর স্বামী বলেন, ‘এই বছরের জানুয়ারিতে, দলজিৎ তার ছেলে জেডনের সঙ্গে কেনিয়া ছেড়ে ভারতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার ফলে শেষ পর্যন্ত আমাদের বিচ্ছেদ ঘটে। আমরা দু’জনেই বুঝতে পেরেছিলাম আমাদের পরিবারের ভিত্তি ততটাও শক্তিশালী নয় যতটা আমরা আশা করেছিলাম।’

দলজিৎ কেনিয়ার জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছিল না। ভারতে তাঁর কাজ এবং জীবনকে মিস করছিল। এর ফলে জটিলতাগুলি ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ওঠে- যোগ করেন নিখিল।