বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

প্রতারনার শিকার কুয়েত প্রবাসী শেখ হারুন

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০২৩

এই  প্রতারক নানা অপকায়দায় ফেলে  নানান রকম  ব্যবসার কথা বলে মানুষের জীবনের শেষ সম্বল টুকু ছিনিয়ে নেই  বলছিলাম রিপন (৪০) নামের এক প্রতারকের কথা  তার প্রতারনার শিকার হয়েছে শেখ হারুন (৪২) 

তিনি বলেন জীবনে অনেক স্বপ্ন নিয়ে ২২ বছর বয়সে ২০০৪ সালে কুয়েতে যাই। প্রবাস জীবনে অনেক কষ্টে জীবন নির্বাহ করার পর তিলে তিলে কিছু সম্পদ সঞ্চয় করি। দীর্ঘ ১৮ বছর পর ১/২/২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি  মাসে দেশে আসি কিছু একটা করবে বলে। দেশে এসে কথা হয় রিপন(40), গ্রাম চমকপুর, ঘাগড়া, মিঠামইন কিশোরগঞ্জ এর সাথে। সে নিজেকে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দেয় এবং ব্যবসায়িক পার্টনার হওয়ার প্রলোভন দেখায়। উত্তরা ও রূপগঞ্জে অবস্থিত ইউরোম্যাক্স নামক টেক্সটাইলে আমাকে নিয়ে যায় এবং সে নিজেকে ইউরোম্যাক্স টেক্সটাইল লিমিটেড এর ব্যবস্থা পরিচালক পরিচয় দেয়। উক্ত গার্মেন্টসে বিনিয়োগের কথা বলে আমার কাছ থেকে গত ফেব্রুয়ারি মাসে মোট 58 লক্ষ টাকা নেয়। এরপর আমি কুয়েত চলে যাই। কুয়েত যাওয়ার পর ব্যবসার লভ্যাংশ চাইতে গেলে সে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আমাকে ঘুরাতে থাকে। আমি এক পর্যায়ে আমার আত্মীয়-স্বজন এবং এলাকার লোকজনকে জানাই ।পরে জানতে পারি রিপন একজন প্রতারক তার কোন গার্মেন্টস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিছুই নেই। বিভিন্ন জনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে, অনেক রাজনীতিবিদ ও আমলাদের সাথে তার সখ্যতা আছে বলে আমার মত সাধারণ মানুষকে প্রলুদ্ধ করে বহু লোকের নিকট থেকে ব্যবসা ও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের জীবনে অর্জিত সমস্ত সম্পদ আত্মসাৎ করে। আমি একজন অসহায় প্রবাসী। আমরা যারা প্রবাসে আছি তারা অনেক পরিশ্রম করে দেশে রেমিটেন্স পাঠাই। এদেশের উন্নয়নে আমরা অবদান রাখি। আমি টাকা গুলো ফেরত চাওয়াতে আমাকে প্রান নাশের হুমকি দেই । আমি এখন নিজের জীবন নিয়ে চিন্তিত । আমি দেশের সকল জনগণের কাছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে একটাই চাওয়া  প্রতারকের নিকট থেকে আমার সারা জীবনের জমানোর সম্পদ আমাকে ফিরিয়ে দিন।  এবং প্রতারকের সুষ্ঠ বিচার আশা করছি ।এ  বিষয়ে ভুক্তভোগী  শেখ হারুন আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন