বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারে মহড়া শুরু বেলারুশের, বাড়ছে নতুন উত্তেজনার শঙ্কা

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

নিজেদের ভূখণ্ডে মোতায়েন থাকা রুশ পারমাণবিক অস্ত্রের কার্যকারিতা ও প্রস্তুতি যাচাইয়ে বড় ধরনের সামরিক মহড়া শুরু করেছে বেলারুশ। সোমবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই মহড়াকে ঘিরে ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

বেলারুশ জানিয়েছে, মহড়ায় রাশিয়ার সহযোগিতায় পারমাণবিক গোলাবারুদ সরবরাহ, স্থানান্তর এবং ব্যবহার উপযোগী করার বিভিন্ন ধাপের অনুশীলন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সক্ষমতা, সেনাদের প্রস্তুতি এবং অপারেশনাল কার্যক্রম যাচাই করা হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মহড়ার সময় সেনাদের অবস্থান গোপন রাখা, দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম, সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের কৌশল এবং দ্রুত মোতায়েন সক্ষমতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

Belarus-এর সঙ্গে RussiaUkraine ছাড়াও ন্যাটোভুক্ত তিনটি দেশের সীমান্ত রয়েছে। ফলে এ ধরনের সামরিক কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তি নজর কাড়ছে।

২০২৩ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে Alexander Lukashenko রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র বেলারুশে মোতায়েনের অনুমতি দেন। তবে Vladimir Putin স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, এসব অস্ত্র ব্যবহারের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে মস্কোর হাতে।

ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন বিভিন্ন সময় পুতিন রাশিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতার বিষয়টি সামনে এনেছেন। পশ্চিমা বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়া দেশগুলোর প্রতি পরোক্ষ বার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সম্প্রতি পুতিন জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ রাশিয়া নতুন প্রজন্মের সারমাত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রও মোতায়েন করবে এবং তাদের পারমাণবিক বাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তবে বেলারুশের দাবি, এই সামরিক মহড়া কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে নয় এবং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে না।