বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত, সাড়ে ৩ ঘণ্টায় গণনা হলো ১০ কোটি টাকা

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

দীর্ঘ ছয় মাস পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের উপস্থিতিতে মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়।

দানবাক্স খোলার পর সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় টাকা গণনার কাজ। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সাড়ে ১২টা) প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টায় ১০ কোটি টাকা গণনা সম্পন্ন হয়েছে। গণনার কাজে রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ মোট ৫৯০ জন স্বেচ্ছাসেবী অংশ নিয়েছেন।

রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, কিশোরগঞ্জ শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এবারের দানবাক্স থেকে মোট ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে, যা অতীতের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ফলে এবার দানের পরিমাণে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে পুরো অর্থ গণনা শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত হিসাব জানা যাবে।

এর আগে সর্বশেষ গত ২৭ ডিসেম্বর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে মোট দানের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়া বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার এবং বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রীও পাওয়া গিয়েছিল।

দেশের অন্যতম আলোচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাগলা মসজিদে দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষ মানত ও দান করে থাকেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রতি ছয় মাস পরপর দানবাক্স খোলা হলে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হওয়ার ঘটনা নিয়মিতই আলোচনায় আসে।