বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের তৎপরতা নিয়ে সতর্কবার্তা দিলেন আব্বাস

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর অঞ্চলে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক তৎপরতা দ্বিরাষ্ট্র সমাধানকে হুমকির মুখে ফেলছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। গতকাল সোমবার জর্ডানের রাজধানী আম্মানে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।

গতকাল জর্ডান সফরে গিয়েছেন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট। সেখানে জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ (২) এর সঙ্গে বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক দখলদারিত্ব ও সম্প্রসারণবাদী তৎপরতার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন এবং বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত সিদ্ধান্ত দ্বিরাষ্ট্র সমাধানকে পুরোপুরি পাশ কাটিয়ে পশ্চিম তীর অঞ্চলে নিজেদের দখলদারিত্ব কার্যক্রম বাড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের আত্মপ্রকাশের সম্ভাবনাকে চিরতরে নস্যাৎ করাই ইসরায়েলের উদ্দেশ্য।”

২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীর এলাকায় দখলদারিত্ব ও সম্প্রসারণমূলক তৎপরতা বাড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। গত প্রায় আড়াই বছরে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার নতুন আবাসন গঠনের পরিকল্পনা পাস করেছে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা। সেসব প্রকল্পের মধ্যে কয়েকটির কাজও ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদ আব্বাস বলেন, “ইসরায়েলের এই দখলদারিত্বমূলক তৎপরতা শুধু দ্বিরাষ্ট্র সমাধানকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা এবং বিশেষ করে এ অঞ্চলের ইসলাম ও খ্রিস্টান ধর্মের স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে।”

এ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে থামাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ কামনা করে প্রেসিডেন্ট আব্বাস বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনের অন্তর্ভুক্ত ভূখণ্ডে যাবতীয় দখলদারিত্ব কার্যক্রম স্থগিত রাখার বিষয়টি উল্লেখ ছিল। আমি তাকে সেই ব্যাপারটি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই এবং ফিলিস্তিনের অস্তিত্বের স্বার্থে এ ইস্যুতে তার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”