কিয়ার স্টারমার–কে ঘিরে ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন করে পদত্যাগের জল্পনা শুরু হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, চলমান রাজনৈতিক সংকট ও দলীয় চাপের মধ্যে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম Daily Mail–এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, স্টারমার “নিজের শর্তে” সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেননি তিনি।
অন্যদিকে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, লেবার পার্টির ভেতরে নেতৃত্ব নিয়ে চাপ ও বিভক্তি বাড়ছে। ওয়েস স্ট্রিটিং ইতোমধ্যে নেতৃত্বের লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির খারাপ ফলাফল এবং সরকারের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়াকে এই সংকটের বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ও এমপিও স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তবে স্টারমার এখনও প্রকাশ্যে পদত্যাগের কথা অস্বীকার করে আসছেন। গত সপ্তাহে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বলেন, নেতৃত্ব পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়নি এবং তিনি দায়িত্বে বহাল আছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ সংকট আরও গভীর হলে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে বিরোধী দল ও কট্টর ডানপন্থী শক্তিগুলোর উত্থান নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।