বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

নেপালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী সমর্থকদের সঙ্গে জেন-জির সংঘর্ষ

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির সমর্থকদের সঙ্গে জেন-জি বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে দেশটির বারা বিভাগে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরে জেন-জি ও সাধারণ মানুষের গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হন কেপি শর্মা অলি। এরপর দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। দায়িত্ব নিয়েই আগামী বছরের মার্চে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দেন তিনি।
বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, কেপি শর্মার দল সিপিএন-ইউএমএলের কর্মীরা বারা বিভাগে সমাবেশের আয়োজন করে। একইদিন সমাবেশের ডাক দেয় জেন-জি বিক্ষোভকারীরা। উভয় পক্ষের সমাবেশ কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। যা পরবর্তীতে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ঘটনা বিমানবন্দরের কাছাকাছি হওয়ায় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপের আশঙ্কায় বারা বিভাগে কারফিউ জারি করা হয়। যা আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টা পর্যন্ত থাকবে।
সংঘর্ষে কেউ গুরুতর আহত হয়নি বলে জানিয়েছেন নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে।
সংঘর্ষ ও উত্তেজনার পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি। তিনি ‘অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক উস্কানি’ থেকে দূরে থেকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর বিশ্বাস রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন।
গতকাল বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে সুশীলা বলেন, “আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সর্বোচ্চ সংযম বজায় রেখে কাজ এবং শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছি।” তিনি বলেছেন, “আমি চাই সব রাজনৈতিক নেতা ও দল মুক্তভাবে কাজ করবে এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করবে।”
গত ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর নেপালে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। কেপি শর্মা অলির সরকার সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর রাজপথে নেমে আসে জেন-জির বিক্ষোভকারীরা। এতে মাত্র দুইদিনের ব্যবধানে সরকারের পতন হয়ে যায়। তবে এরমধ্যেই প্রাণ হারান ৭৬ জন।